ব্রাজিলের শক্তিমত্তার কারণ কী?

|

স্পেন, জার্মানি ও আর্জেন্টিনার মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের একে একে বিদায়। অঘটনের এবারের আসরে হেক্সা জয়ের মিশনে এখন পর্যন্ত দারুণভাবেই এগুচ্ছে ব্রাজিল। সেলেসাওদের এমন শক্তিমত্তার কারণ কী? শুধু কি শক্তিশালী দলের তকমা, নাকি পারফরমেন্সেও সেরা ব্রাজিলের এবারের দলটি? এবারের বিশ্বকাপে ঠিক কী কারণে এগিয়ে তিতের শিষ্যরা?

ব্রাজিলের এবারের দলটির অন্যতম শক্তির জায়গা ডিফেন্স। জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের সেই হারের পর দলটির ডিফেন্স লাইনে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়েছেন কোচ তিতে। যেখানে থিয়াগো সিলভার নেতৃত্বে সেন্টারহাফে মিরান্দা, রাইটব্যাকে ফাগনার ও লেফটব্যাকে মার্সেলো। আর তাদের ঠিক উপরেই ক্যাসেমিরো ও পাওলিনহো। সবমিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপে অন্যতম শক্তিশালী ডিফেন্স ব্রাজিলের। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত এক গোল হজম করে তারই প্রমাণ দিয়েছে দলটি।

গোলরক্ষক অ্যালিসন ব্রাজিলের শক্তির অন্যতম জায়গা। ব্যাকআপে আছেন অ্যাডারসন। কিন্তু অ্যালিসনের দারুন নৈপুণ্যে এখনো মাঠে নামার সুযোগ দেয়নি এই সিটি গোলরক্ষককে।

দলের প্রধান তারকা নেইমার। কিন্তু বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত নেইমার নির্ভরতা দেখা যায়নি ব্রাজিল দলে। কুতিনহো, কস্তা, উইলিয়ান, ফিরমিনোরা ফল বের করে এনেছেন ম্যাচে।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ধারাবাহিক সাফল্য, সবার আগে বিশ্বকাপ কোয়ালিফাই করা, প্রীতি ম্যাচে টানা জয় আর এই বিশ্বকাপে ম্যাচ বাই ম্যাচ ভালো করা। সবমিলিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাস এগিয়ে রাখছে সেলেসাওদের।

ব্রাজিলের অন্যতম শক্তির জায়গা রিজার্ভ বেঞ্চ। মূল একাদশের পাশাপাশি ডাগআউটে আছেন বিশ্বের সেরা ক্লাবে খেলা ফুটবলাররা। যারা ভূমিকা রেখছেন প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই। এই যেমন মেক্সিকোর বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে ফার্নানদিনহো ঘুরিয়ে দিলেন ম্যাচের দৃশ্যপট। আর শেষদিকে নেমে গোল করলেন রবার্তো ফিরমিনো। আর মার্সেলোর পরিবর্তে তো দারুণ করছেন ফিলিপে লুইস।

তবে এতসব তারকাকে এক ছাতার নিয়ে আসার কৃতিত্ব কোচ তিতের। সবার মধ্যে বন্ধনটাও বেশ দৃঢ়। আর তা করতে কোচ তিতে আশ্রয় নিয়েছেন বহু অধিনায়ক তত্ত্বে। একেক ম্যাচে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড তুলে দিচ্ছেন একেকজনের হাতে। তাতে দলের সবার মধ্যে দায়বোধ তৈরি হচ্ছে। বিতর্কহীন এক কোচ হয়ে ব্রাজিলকে করেছেন পরিপূর্ণ। তার ছোয়ায় পাল্টে যাওয়া ব্রাজিল হেক্সা জয়ের মিশন থেকে ৩ ম্যাচ দূরে জয়।

যমুনা অনলাইন: এটি









Leave a reply