কোরিয়া উপদ্বীপে যুদ্ধ পরিস্থিতি

|

ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে কোরীয় উপদ্বীপে। পিইয়ংইয়ং এর লাগাতার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পর রণতরী মোতায়েন করলো যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) আবারও জাপান সাগরে দুটি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে উত্তর কোরিয়া। এর আগে, জাপান সাগরে যৌথ সামরিক মহড়া চালায় দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। পিইংইয়ং আগ্রাসন চালালে কোনো ছাড় দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সিউল। খবর এনবিসি নিউজের।

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) পশ্চিমা হুঁশিয়ারি-সতর্কতা উপেক্ষা করে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে উত্তর কোরিয়া। এদিন, জাপান সাগরে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে দেশটি। পিইংইয়ং যখন একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় ব্যস্ত তখন টোকিও-সিউল-ওয়াশিংটনের যৌথ সামরিক মহড়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে কোরিয়া উপদ্বীপে। উত্তেজনার মধ্যেই, অঞ্চলটিতে রণতরী মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বাড়াবাড়ি করলে, উত্তর কোরিয়াকে একবিন্দুও ছাড় দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ার করেছে সিউল।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র কিম জুন র‍্যাক বলেন, একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করছে পিইংইয়ং। যা স্পষ্টতই আগ্রাসন। পাল্টা জবাব দিতে কোরিয়া উপদ্বীপে রণতরী মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রস্তুত আছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীও। উত্তর কোরিয়াকে এক বিন্দুও ছাড় দেয়া হবে না।

জাপানের মন্ত্রিপরিষদ সচিব সেইজি কিহারা বলেন, উত্তর কোরিয়ার এভাবে বারবার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা মনে করছি খুব শীঘ্রই পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালাতে পারে পিয়ংইয়ং। তাই বিষয়টি নিয়ে এখনই সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

এ অবস্থায় জরুরি বৈঠক বসে জাতিসংঘে। আর, বিবাদমান পক্ষগুলোকে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে চীন।

জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের প্রতিনিধি জেং শুয়াং বলেন, ঐতিহাসিকভাবে এটা প্রমাণিত যে কোরিয়া উপদ্বীপে উত্তেজনা প্রশমনে আলোচনাই একমাত্র কার্যকরী পন্হা। হুমকির বদলে পাল্টা হুমকি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। তাই সবপক্ষের কাছেই আমাদের আহ্বান আলোচনার টেবিলে বসুন, সংকটের সমাধান করুন।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি নিজেদের পারমাণবিক অস্ত্রধারী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে আইন পাস করেছে উত্তর কোরিয়া। এরপর থেকেই নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি।

/এসএইচ





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply