শেষ মূহুর্তের অবিশ্বাস্য গোলে জয় জার্মানির

|

প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও সুইডেনের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জার্মানি। ফলে ১ম ম্যাচে হারের পর আসরে জয়ের মুখ দেখলে জার্মানরা। একই সাথে টুর্ণামেন্টের পরের পর্বে যাবার সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখলো ডাইম্যানশ্যাফটরা।

অনিন্দ্য সুন্দর শোচির ফিস্ট স্টেডিয়ামে, চ্যাম্পিয়নদের কক্ষপথে ফেরার মিশন। ফরমেশনে বদল আনেননি জোয়াকিম লো। তবে খেলোয়াড় অদল-বদল করেছেন। মেসুত ওজিল-স্যামি খেদেইরারা ছিলেন সাইড-বেঞ্চে। তবে সেবাশ্চিয়েন রুডি ইঞ্জুরিতে পড়ায়, ইল্কায় গুন্দেগানকে নামাতে দেরি করেন্নি লো। তবে তার ১ মিনিটের মধ্যে ভিক্টর ক্লাসেনের এই ফ্লিক বুক দিয়ে নামিয়ে, দারুণ প্লেস করেন ওলা টয়ভোনেন।

দীর্ঘ আড়াই দশক পর সুইডেন তখন জার্মানির বিপক্ষে জয়ের স্বপ্ন এ বিভোর। শুধু কি তাই? জিতলেই মেক্সিকোর সংগে দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত তাদের। বাদ পড়বে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানি।

তবে জার্মানরা যে অন্য ধাতুতে গড়া, সেটা তো সবার জানা। যদিও ৩৯ মিনিটে কিমিচ-গুন্দেগান মিলে সমতা প্রায় নিয়েই এসেছিলেন, ভাগ্যই শুধু প্রবঞ্চনা করেছে।

তবে বিরতির পর জার্মানরা যেভাবে শুরু করে তাতে দ্বিতীয় বিশ্ব-যুদ্ধের শুরুর দিনগুলোকেই মনে করিয়ে দেয়। আক্রমণের তোড়ে ভেসে যাওয়ার অবস্থা সুইডিশদের।

অবশেষে মারিও গোমেসের পাস থেকে মারকো রয়েস বিশ্বকাপ এ ধরে রাখেন ডাইম্যানশ্যাফটদের। একপেশে খেলায় রয়েস-ওয়ারনাররা মেতেছিলেন গোল মিসের মহড়ায়, আরো নির্দিষ্ট করে বললে রবিন ওলসেনের দৃঢ়তায়। ৮২ মিনিটে বোয়াটেংয়ের মারচিং-অরডার, যেন আরেক প্রস্থ পিছিয়ে দেয় জার্মানদের।

তাইতো মেক্সিকোর কাছে হারের পর, সুইডেনের বিপক্ষেও জয় প্রায় অসম্ভব তখনই ফুটবল বিধাতা মুখ তুলে চাইলেন। ম্যাচের শেষ সময়ে, রয়েসের বুদ্ধিদীপ্ত চিপ থেকে টনি ক্রুসের জয়সূচক গোল।

যে জয়ে আপাতত তিরোহিত হল ১৯৩৮ সালের পর আবারো প্রথম রাউন্ড থেকে বিখ্যাত মেশিন ফুটবলের বাদ পড়ার শঙ্কা।









Leave a reply