বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খান আর নেই

|

তোয়াব খান (১৯৩৪-২০২২)

দৈনিক বাংলার সম্পাদক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খান (৮৭) আর নেই। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বার্ধক্যজনিত জটিলতায় অসুস্থ হলে তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে বারোটায় চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তোয়াব খান কেবল একজন সম্পাদক নন; যেন একজন প্রতিষ্ঠান। একজন আলোকবর্তিকা। ৮৭ বছরের জীবনে সাংবাদিকতা করছেন প্রায় ৭০ বছর। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে যে আলো দিয়েছেন, সেই আলোর শিখা ধারণ করাও ছিল কঠিন। নিজেকে জ্বেলে আলো দিতে পারেনই বা ক’জন!

তোয়াব খানের আলো হয়ে ওঠা শুরু ১৯৫৩ সালে সাপ্তাহিক জনতার মাধ্যমে। যে আলোর শিখা জীবনের শেষ পর্যন্ত জ্বালিয়েছেন। শরীর সায় দেয়নি! কিন্তু মনের গহীনে সাংবাদিকতার যে তেজ ছিল, তা দিয়েই হাল ধরেছিলেন নতুন প্রজন্মের গণমাধ্যমেরও।

তোয়াব খানের সম্পাদক জীবনের শুরু ১৯৬১ সালে, দৈনিক সংবাদে। তিন বছর পর যোগ দেন দৈনিক পাকিস্তানে। দেশ স্বাধীনের পর দৈনিক পাকিস্তান থেকে বদলে যাওয়া দৈনিক বাংলার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তোয়াব খান। মুক্তিযুদ্ধের সময় শব্দসৈনিক তোয়াব খানের ‘পিণ্ডির প্রলাপ’ ইতিহাসের স্বাক্ষ্য। তিনি ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সচিব। পেয়েছেন একুশে পদক।

সবশেষ অনলাইন পোর্টাল নিউজ বাংলা ও সম্প্রতি আবারও ফিরে আসা ‘দৈনিক বাংলা’র সম্পাদক ছিলেন। এর আগে দীর্ঘদিন ছিলেন জনকণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক।

তোয়াব খান আপাদমস্তক ছিলেন একজন ‘কাগজের মানুষ’। তার প্রস্থানে যমুনা টেলিভিশনের পক্ষ থেকে রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।

/এসএইচ





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply