তিউনিসিয়াকে নিয়ে ছেলেখেলা করলো বেলজিয়াম

|

গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে তিউনিসিয়াকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করলো বেলজিয়াম। ৫-২ গোলের স্কোরলাইন এর কিছুটা প্রতিফলিত করলেও সবটুকু পারছে না। কারণ, অন্তত আরও এক হালি নিশ্চিত গোল যে হাতছাড়া হয়ে গেছে বেলজিয়ামের।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে বেলজিয়াম। তিউনিসিয়ার বেন ইউসেফের ভুলে ৬ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি পায় বেলজিয়াম। সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে নেন হ্যাজার্ড। এরপর দু’দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের ফুলঝুড়ি ছোটালেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বরাবরই ছিল বেলজিয়ামের হাতে। ১৬ থেকে ১৮ মিনিটে মধ্যে হয় ২টি গোল। হ্যাজার্ডের পর বেলজিয়ামের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন আগের ম্যাচে জোড়া গোল করা রোমেরু লুকাকু। ১৮-তম মিনিটে তা পরিশোধ করে দেন তিউনিসিয়ার দাইলান ব্রন।

এরপর বেশ কিছু গোলের সুযোগ নষ্ট করে বেলজিয়াম। বিশেষ করে প্রথমার্ধে ৪৫-তম মিনিটে থমাস মিউনারের ক্রস থেকে লুকাকু যে গোলটি মিস করলেন সেটি গোল না হওয়াটাই ছিল কঠিন। অবশ্য, তার দু’মিনিট পরেই অতিরিক্ত সময়ে দারুণ গোলে দায়মোচন করেন রোমেরু লুকাকু। সেই সাথে দুই ম্যাচে ৪ গোল নিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পাশে গিয়ে দাঁড়ান। ৩-১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বেলজিয়াম।

দ্বিতীয়ার্ধে যেন আরও আক্রমণাত্মক বেলজিয়াম। পাল্লা দিয়ে চলছিল গোল মিসেরও মহড়া। ৫১ মিনিটে এডেন হ্যাজার্ডের দুর্দান্ত গোলে ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বেলজিয়াম। ৫৯ মিনিটে রোমেরু লুকাকু আর ৬৯ মিনিটে হ্যাজার্ডকে তুলে নেনে বেলজিয়ামের কোচ। নকআউট পর্বের জন্য এ দু’জনকে নিয়ে আর কোনো ঝুঁকি নিতে চাননি তিনি। লুকাকু বদলি হিসেবে নামেন ফেলানি। অন্যদিকে, এডেন হ্যাজার্ডের বদলি হিসেবে নামেন চেলসির স্ট্রাইকার মিচি বাতশুয়াইয়।

কিন্তু মিচি যেন গোল মিসের প্রদর্শনী দেখাতে নামলেন! অন্তত পাঁচটি পরিষ্কার গোলের সুযোগের পেয়ে কাজে লাগাতে পারলেন একটি! তাও ম্যাচের ৯০ মিনিটে। ব্যবধান দাঁড়ালো ৫-১। রাশিয়া বিশ্বকাপের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড হয়ে গেলো এই গোলের মাধ্যমে। অতিরিক্ত সময়ে সেটিকে ধরাছোঁয়ার বাহিরে নিয়ে গেলেন তিউনিসিয়ার ওয়াহবি খাজরি। ৫-২ গোলে শেষ হয় ম্যাচ।

এই ম্যাচে অনায়াসে হয়ে যেতে পারতো গোটা দশেক গোল। সেটি যে হয়নি তাতে তিউনিসিয়ার চেয়ে বেলজিয়ামের ব্যর্থতাই বেশি।

যমুনা অনলাইন: টিএফ









Leave a reply