প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে জন্ম নিলো নতুন দ্বীপ; ক্রমেই বড় হচ্ছে, জানালো নাসা

|

দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রশান্ত মহাসাগরে পানির নিচে থাকা আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণে ছোট একটি দ্বীপের জন্ম হয়েছে। এ বিষয়টি ধরা পড়েছে নাসার স্যাটেলাইটে। দ্বীপটি খুব দ্রুতই আকারে বড় হচ্ছে বলে জানিয়েছে নাসা। খবর এনডিটিভির।

জানা গেছে, চলতি মাসের শুরুর দিকে টোঙ্গা দ্বীপের কেন্দ্রে অবস্থিত হোম রিফ আগ্নেয়গিরিটি লাভা ও ছাই উদগিরন শুরু করে। এগুলো ছড়িয়ে পড়ে সমুদ্রের পানিতেও। এই আগ্নেয়গিরিটির অগ্নুৎপাতের ১১ ঘণ্টা পরই পানির নিচ থেকে নতুন একটি দ্বীপের জন্ম হয়। আর এ বিষয়টি ধরা পড়ে নাসার স্যাটেলাইটে।

এ নিয়ে সম্প্রতি একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে নাসা। সেখানে বলা হয়েছে, সদ্যগঠিত দ্বীপটি খুব দ্রুতই আকারে বড় হচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর দ্বীপটির আকার ছিল ৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার এবং এটি সমুদ্র থেকে ১০ মিটার বা ৩৩ ফুট উঁচু ছিল। এর কয়েকদিন পর ২০ সেপ্টেম্বর দ্বীপটির আকার হয়ে দাঁড়ায় ২৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার।

অবশ্য এই দ্বীপ খুব বেশিদিন স্থায়ী হবে না বলে জানিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটি। তাদের মতে, সাধারণত, পানির নিচে কোনো আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের ফলে সৃষ্ট দ্বীপ খুব বেশিদিন স্থায়ী হয় না। সর্বোচ্চ কয়েক বছর এটি স্থায়ী হতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে নাসা জানায়, ২০২০ সালে পানির নিচে থাকা আগ্নেয়গিরি লেটইকির ১২দিন ধরে অগ্নুৎপাতের ঘটনায় একটি দ্বীপ তৈরি হয়। তবে এর মাত্র ২ মাসের মধ্যেই সমুদ্রে বিলিন হয়ে যায় সেটি। অন্যদিকে, ওই একই আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতে ১৯৯৫ সালে গঠিত একটি দ্বীপ টিকেছিল ২৫ বছর পর্যন্ত।

এদিকে, হোম রিফ আগ্নেয়গিরিটির অগ্নুৎপাত এখনও অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে টোঙ্গা দ্বীপের কর্তৃপক্ষ। তারা জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ২১বার বিস্ফোরিত হয়েছে আগ্নেয়গিরিটি। দ্বীপটির অধিবাসীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

এসজেড/


সম্পর্কিত আরও পড়ুন




Leave a reply