মৌসুমে সপ্তমবারের মতো বন্যা, দিশাহারা তিস্তা অববাহিকার মানুষ

|

স্টাফ করেসপনডেন্ট, রংপুর:

উজানের ঢল আর বৃষ্টিতে মৌসুমের গত তিন মাসে সপ্তমবারের মতো পানি বাড়লো তিস্তায়। এতে তিস্তা অববাহিকা জুড়ে দেখা দিয়েছে বন্যা। সদ্য লাগানো আমণের ক্ষেত ডুবে যাওয়ায় দিশাহারা হয়ে পড়েছে তিস্তা পাড়ের মানুষ।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে তিস্তার ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে পানিবৃদ্ধি শুরু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এটি বিপদসীমার একত্রিশ সেন্টিমিটার অতিক্রম করেছে। হু হু করে পানি ঢুকে পড়েছে নীলফামারীর ডালিয়ার ছাতনাই থেকে লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম হয়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের হরিপুর পর্যন্ত ৩৫২ কিলোমিটার অববাহিকার চরাঞ্চল এবং নিম্নঞ্চল।

এসব এলাকায় কোনো কোনো বাড়িতে কোমর পর্যন্ত পানি। অনেকের ডুবে গেছে থাকার ঘর, রান্নাঘর। কেউ কেউ বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন উঁচু এলাকায়। এমনকি কোনো কোনো এলাকার আশ্রয়ণ প্রকল্পেও পানি ওঠে গেছে। তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট, সদ্য লাগানো আমন ধানের ক্ষেত, পুকুরের পাড় ডুবে চাষের মাছও চলে গেছে অনেকের। গবাদি পশুসহ সন্তানদের নিয়ে কষ্টে আছেন তিস্তা পাড়ের মানুষ।

ভুক্তভোগীরা খাবারের কষ্টে থাকলেও তারা রিলিফ চান না। তাদের দাবি, ডান তীরে একটি রক্ষা বাঁধ করার। এতেই জীবনই বা এবং জীবিকা বাঁচবে বলে মনে করেন তারা।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব বলেন, এখন পানি কমতির দিকে থাকলেও আগামী ৪৮ ঘণ্টায় আবারও বাড়তে পারে। পানি বাড়লে ভাঙন ও বন্যার শঙ্কা থাকেই। এজন্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পূর্ব সতর্কতার দিকে নজর দিতে হবে।

/এডব্লিউ





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply