প্রণালীতে শান্তি ফেরাতে মিত্রদের সাথে যোগাযোগ: তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট

|

চীন-তাইওয়ান অঞ্চলে ছড়ালো ফের উত্তাপ। মার্কিন প্রতিনিধিদের অঞ্চলটি সফরকে কেন্দ্র করে নতুনভাবে সামরিক মহড়া চালালো চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)। খবর রয়টার্সের।

এদিকে চীন বারবার অভিযোগ করে আসছে, এক চীন নীতিমালার পরিপন্থি উসকানিমূলক আচরণ করছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন বলছেন, প্রণালীতে শান্তি-স্থিতিশীলতা বাড়াতেই আন্তর্জাতিক মিত্রদের সাথে মিত্রতা বাড়ানো হচ্ছে।

প্রায় ১০ দিনের মহড়ার পর তাইওয়ান প্রণালীতে কমে এসেছিল চীনের সামরিক তৎপরতা। কিন্তু রোববার তাইওয়ানে মার্কিন প্রতিনিধিদের সফরে ফের ছড়ালো উত্তেজনা। একইসাথে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে চীন। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাইওয়ানের স্বাধীনতার নামে কোনো বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ তারা মানবে না।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, তাইওয়ান ভূখণ্ডে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সফর স্পষ্টভাবে চীনের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগলিক অখণ্ডতার জন্য হুমকি। এরমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র যে শান্তি-স্থিতিশীলতা নষ্টকারী, সেই চেহারাও উন্মোচিত হলো। এটা সরাসরি এক চীন নীতিমালার পরিপন্থী। চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি নিজ সুরক্ষায় প্রস্তুত। তাইওয়ানের স্বাধীনতার অজুহাতে বিদেশি হস্তক্ষেপের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করা হবে।

তাইওয়ানের অভিযোগ, চীনের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে। এমনকি সমুদ্রের নিয়ন্ত্রণরেখার ওপর চলে এসেছিল কয়েকটি জাহাজ।

অবশ্য প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন বলেছেন, প্রণালীতে শান্তি-স্থিতিশীলতা ফেরাতেই মিত্রদের সহযোগিতা চাইছে তাইওয়ান। বলেন, চীনের মহড়া গোটা অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা ওপর ফেলেছে মারাত্মক প্রভাব। এখনও সীমান্তে টহল দিচ্ছে তাদের যুদ্ধবিমান ও জাহাজ। সামরিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য মিত্রদের সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছি। প্রণালীতে ভারসাম্য আনার জন্য প্রয়োজন তাদের সহযোগিতা। তাইওয়ানের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় করছি সাধ্যমতো চেষ্টা।

আগস্টের শুরুতেই চীনের জোরালো বাধা উপেক্ষা করে তাইওয়ান সফরে যান মার্কিন স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। সেই ঘটনার ১২ দিন না পেরোতেই পরিদর্শনে যার পাঁচ সিনেটর। যা অঞ্চলটিতে চীনের একচ্ছত্র আধিপত্য কমানোর উদ্যোগ হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।

/এমএন





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply