এক মাসে ডিমের দাম বেড়েছে ১৬ শতাংশ

|

নিম্নবিত্ত হোক বা ব্যাচেলার মেস বাড়ি, খাবারের মেন্যুতে ডিম থাকবেই। দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় পুষ্টি চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ হয় এই ডিম দিয়ে। তবে গত কয়েকদিনে ডিমের দাম বাড়ায় কম দামে পুষ্টি চাহিদা মেটানোর পথটাই এখন প্রায় বন্ধ। খামারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, কয়েক দফা হাতবদল হলেও ডিমের দাম হালিতে ১০ টাকা বাড়ার কোনো সুযোগ নেই। তাদের দাবি, কিছু অসাধু চক্র তেলের বাজারে অস্থিরতার ফায়দা লুটছে। ফলে গত এক মাসে ডিমের দর বেড়েছে গড়ে ১৬ শতাংশ।

জানা গেছে, খরচ কমাতে নিম্নবিত্ত বেশিরভাগ বাড়িতে এখন প্রায় প্রতিবেলাই পাতে পড়ছে ভাত-ভর্তা-ডাল। দাম বাড়ায় বেহাল দশা হোটেল মালিকদেররও। সেখােন মাছ, মাংসের চাহিদা নেই। ডিম বিক্রি নিয়েও বিপাকে পড়েছেন তারা। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মুরগির ফিড ও ওষুধের চড়া দামের যে অজুহাত দেয়া হচ্ছে সে তুলনায় ডিমের দাম অনেক বেশি।

এদিকে, খামারে বিপত্তি আরও বেশি। এখান থেকে চার হাত বদল হয়ে বাজারে ডিম যায়। তাই গোড়াতেই দাম বাড়ে সাপ্লাই চেইনে। সেই সাথে জ্বালানি তেলের বাড়তি দর সমন্বয় করে দাম বাড়ে আরও। খামারিরা বলছেন, ডিমের পাশাপাশি ফিডও উৎপাদন করছে একাধিক বড় কোম্পানি। তাদের সাথে পেরে উঠছেন না ছোট উদ্যোক্তারা।

এসজেড/





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply