ফের ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব, পর্যালোচনা করছে সরকার

|

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব এরই মধ্যে বিভিন্ন নিত্যপণ্যে পড়তে শুরু করেছে। এরই জেরে এবার ভোজ্য তেলের দাম বৃদ্ধি জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়েছে সরকারকে। ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্য পতনকে কারণ দেখিয়ে ভোজ্য তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে ভোজ্যতেল উৎপাদক সমিতি।

গত ২০ জুলাই নতুন দাম নির্ধারণের পর আবারও সমন্বয়ের প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তবে এই মুহূর্তে দাম বৃদ্ধির সুযোগ নেই বলেও মনে করে ট্যারিফ কমিশন। বাজারে এরইমধ্যে দাম বৃদ্ধির গুঞ্জন শুরু হয়েছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এই সুযোগে তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে বলেও জানা গেছে।

আমদানি মূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশীয় বাজারে তেলের দাম বেঁধে দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সবশেষ গত ২০ জুলাই প্রতিলিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯৯ টাকা থেকে ১৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ১৮৫ টাকা। তবে এই দাম ফের বাড়িয়ে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ২০৫ টাকা আর খোলা তেল প্রতি লিটার ১৮০ টাকা করার প্রস্তাব পেয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দাম বৃদ্ধির এমন প্রস্তাবে ক্ষুব্ধ ক্রেতা।

এদিকে, ব্যবসায়ীরা বলছেন, কিছু দিনের মধ্যে দাম বাড়বে এমন গুঞ্জন শুরু হয়েছে। ফলে ক্রেতারাও বেশি করে ভোজ্যতেল কিনে মজুদ করতে শুরু করেছেন। এরই মধ্যে নতুন করে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন। বলা হচ্ছে, ডলারের দাম বিবেচনায় নিয়েই ১৫ দিন আগে মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নতুন করে বিবেচনার ক্ষেত্রে প্রয়োজন আরও ৩০ দিন। তবে নতুন করে এখনই ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি করতে চায় না বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এসজেড/





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply