আজ শেষ হচ্ছে চীনের শক্তিমত্তা প্রদর্শন

|

সমুদ্র প্রণালীতে রীতিমতো ইঁদুর-বিড়াল খেলা চলছে চীন-তাইওয়ানের যুদ্ধজাহাজের মধ্যে। চতুর্থ ও শেষদিনের মতো পেশিশক্তি প্রদর্শনে ব্যস্ত বেইজিং। আর আগ্রাসী আচরণ মোকাবেলায় তৎপর তাইপে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় তাইওয়ান ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য ‘প্যাট্রিয়ট’ মিসাইল এবং অ্যান্টিশিপ মিসাইল প্রস্তুত রেখেছে দেশটি।

তাইওয়ানের দাবি, গেলো দু’দিনে ৬৮টি যুদ্ধবিমান লঙ্ঘন করেছে আকাশসীমা। এছাড়া, চীনের ১৪টি যুদ্ধজাহাজকে দেখা গেছে সমুদ্রসীমার কাছাকাছি। চীনের এই মহড়াকে কাণ্ডজ্ঞানহীন আচরণ আখ্যা দিলো যুক্তরাষ্ট্র। খবর রয়টার্স, এপি ও সিসিটিভি প্লাসের।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, অঞ্চলটিতে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও উসকানিমূলক আচরণ করছে বেইজিং। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেন, চীনের সাথে সবধরনের যোগাযোগ সচল রেখেছি। কারণ, বিন্দুমাত্র ভুল বোঝাবুঝি বা অসদাচরণের জন্য সংঘাত সৃষ্টি হোক, সেটা চাই না। মিসাইল ছোড়ার মতোই কাণ্ডজ্ঞানহীন কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে চীন। যার অন্যতম, ৬টি এলাকা বন্ধ রেখে শক্তিমত্তা প্রদর্শন। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে জলবায়ুর ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় রাজি নয় চীন। অথচ, তারাই বিশ্বের সর্বোচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ।

অন্যদিকে, চীনের সাবেক রাজনীতিকদের অভিযোগ, তাইওয়ানের জগাখিচুড়ি অবস্থার জন্য দায়ী মার্কিন স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির সফর।

চীনের কেএমটি পার্টির সাবেক চেয়ারপারসন হুং সিউ শু বলেন, অষ্পষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে অঞ্চলটি সফর করেছেন মার্কিন স্পিকার। তাইওয়ানের নতুন প্রজন্ম তাকে স্বাগত জানালেও কতো বড় ভুল করেছে, বুঝতে পারছে না। কারণ, জগাখিচুড়ি পাকিয়ে পেলোসি তাইওয়ান ছেড়েছেন। চারপাশে চলছে চীনের সামরিক মহড়া। তাছাড়া, কয়েকশ ধরনের খাদ্যপণ্যের ওপর রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। সহসা এই সমস্যার সমাধান হবে না।

এরইমধ্যে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা, সামরিক আলোচনা এবং অভ্যন্তরীন অপরাধ দমনের মতো ইস্যুগুলোয় সহযোগিতা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে চীন। নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ন্যান্সি পেলোসি ও তার পরিবারের ওপর।

/এমএন





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply