ফিলিস্তিনে চিকিৎসাকর্মী গুলি করে হত্যা করলো ইসরায়েল

|

গাজা সীমান্তে আহত বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করতে যাওয়া এক ফিলিস্তিনি নার্সকে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল কুদরা বলেছেন, রাজান আল নাজ্জার নামে ২১ বছর বয়সী ওই নার্স খান ইউনিসে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তার এই হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৩ জনে।

আল কুদরা বলেন, নাজ্জার ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাসেবী। তার বুকে গুলি লাগার সময় তিনি চিকিৎসাকর্মীদের সাদা ইউনিফর্ম পরা ছিলেন।

এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, একজন আহত ব্যক্তিকে সহায়তা করতে গেলে তাকে গুলি করে হত্যা করে স্নাইপাররা।

তিনি বলেন, সাদা ইউনিফর্ম পরা নাজ্জার তার দুই হাত উপরে উঠিয়ে আহতদের সাহায্যে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ইসরাইলি সেনারা তার বুকে গুলি করলে তিনি মাটিতে লুকিয়ে পড়েন।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য অধিদফতরের সূত্র জানায়, শুক্রবার শতাধিক বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৪০ জনের শরীরে তাজা গুলি লেগেছে।

৭০ বছর আগে তাড়িয়ে দেয়া ভিটেমাটিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার দাবিতে দুই মাস ধরে বিক্ষোভ করছে ফিলিস্তিনি শরণার্থীরা। ১৯৪৮ সালে ইহুদি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় সাড়ে সাত লাখ আরব অধিবাসী নিজেদের ভিটেমাটি থেকে বিতাড়িত হন।

পার্শ্ববর্তী আরব দেশ, অধিকৃত পশ্চিমতীর ও অবরুদ্ধ গাজা- এসব আরবরা শরণার্থী হিসেবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

চলতে মাসের ১৪ তারিখে ইসরাইলে মার্কিন দূতাবাস তেলআবিব থেকে জেরুজালেমে স্থানান্তরের প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন ফিলিস্তিনিরা।

এদিন ইসরাইলি স্নাইপাররা ৬২ নিরপরাধ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে। এতে এখন পর্যন্ত কোনো ইসরাইলি সেনা হতাহত হয়নি।









Leave a reply