ধান বিক্রির জন্য ব্যবসায়ীদের দ্বারে দ্বারে জয়পুরহাটের কৃষক

|

বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়া বোরো ধান কাটার খরচ যেমন বেশি তেমনি ফলনও কম। আবার পানির নিচে ধান থাকায় রং ও গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কমেছে ক্রেতা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এসব ধান থেকে ভালো মানের চাল উৎপাদন হচ্ছে না। এদিকে ধানের উৎপাদন কম হলেও সরকারি গুদামে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে বলে দাবি খাদ্য কর্মকর্তাদের।

জয়পুরহাটে ঝড় বৃষ্টিতে ধানের ফলন যেমন কম তেমনি নিম্নমানের ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। জেলার সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের কৃষক গৌতম চন্দ্র পুরানাপুল বাজারে ব্যবসায়ীদের কাছে ধান নিয়ে ঘুরছেন ন্যায্য দামের আশায়। কিন্তু ধানের মান খারাপ হওয়ায় বেশি দাম দিতে রাজি নন ব্যবসায়ীরা।

কৃষকরা বলছেন, ধানের উৎপাদন খরচ বাড়লেও ফলন আর মান খারাপ হওয়ায় লোকসান গুণছেন তারা। এদিকে ধানের পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ বছর ধানের গুণগত মান খারাপ হওয়ায় মোকামে চাহিদা কিছুটা কম। বর্তমানে সরু ধান প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১১শ টাকা আর মোটা ধান বিক্রি হচ্ছে সাড়ে আটশ থেকে ৯শ টাকা মণ দরে।

মিলাররা বলছেন, বর্তমানে বাজারে যে ধান আসছে তা থেকে চালের উৎপাদন কম হচ্ছে। ৪০ টাকা কেজি দরে সরকারকে চাল দিয়ে তাদের পোষাচ্ছেনা। জয়পুরহাট জেলা খাদ্য কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে চুক্তিবদ্ধ মিলারদের কাছ থেকে চাল সংগ্রহ শুরু হয়েছে। সঠিক সময়ে লক্ষ্যমাত্রার চাল সরবরাহ করবে বলে আশাবাদী তিনি।

প্রসঙ্গত, চলতি মৌসুমে জেলায় ৯ হাজার ১২৭ টন ধান ও ২১ হাজার ১৭০ টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

/এডব্লিউ





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply