যে উপসর্গগুলি বলে দেবে আপনার ফুসফুসে ক্যানসার বাসা বেঁধেছে

|

ছবি: সংগৃহীত

আধুনিক জীবনযাত্রা, খাদ্যাভ্যাসে অনিয়ম, অতিরিক্ত দূষণের কারণে আমাদের চারপাশে যেসব অসুখের প্রকোপ সবচেয়ে বেড়েছে, তার মধ্যে ক্যানসার অন্যতম। মূলত ধূমপায়ীদেরই ফুসফুসে ক্যানসার হয় বলে ধারণা রয়েছে। কারও ফুসফুসে ক্যানসার হলেই আমরা ধরে নিই, তিনি ধূমপায়ী ছিলেন। কিন্তু ধূমপান না করলেও ফুসফুসে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়। যেসব সঙ্কেত পেলে বেশি সাবধান হতে হবে চলুন জেনে নেয়া যাক সেই বিষয়গুলো-

১) ঘন ঘন সর্দি-কাশি লেগেই আছে? এটা কিন্তু স্বাভাবিক নয়। যদি কিছু দিন অন্তর ঠান্ডা লেগে থাকে, তবে বুঝতে হবে শরীরের ভিতরে কোনো সমস্যা আছে। সাধারণ কাশি সপ্তাহ খানেকের বেশি স্থায়ী হয় না। তাই দীর্ঘদিন যদি কাশি না কমে, তাহলে সাবধান হওয়া জরুরি।

২) হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ধরনে বদল আসা ফুসফুসের ক্যানসারের অন্যতম লক্ষণ। ফুসফুসে টিউমার তৈরি হলে বায়ু প্রবাহের পথ রুদ্ধ হতে পারে। আবার কখনও কখনও টিউমারের প্রভাবে ফুসফুসে পানি জমে যেতে পারে। কাজেই অল্প হাঁটাহাঁটি কিংবা সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করলেই যদি দম ফুরিয়ে আসার উপক্রম হয়, তবে তা উপেক্ষা করা বাঞ্ছনীয় নয়।

৩) সর্বক্ষণ ক্লান্ত লাগলে উদ্বেগ, অবসাদের মতো সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে এইসব উপসর্গ ক্যানসারের লক্ষণও হতে পারে। ফুসফুস ঠিক ভাবে কাজ না করলে শরীরে অক্সিজেনের অভাব হয়। তা থেকেই ক্লান্তি আসতে পারে।

৪) গলার আওয়াজ অন্যরকম লাগছে কি? সর্দি-কাশি হলে এমনটা হওয়া স্বাভাবিক। তবে দীর্ঘদিন গলা বসে যাওয়া, গলার স্বর ভারি হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৫) বুকে কফ জমার প্রবণতা বেড়ে গিয়ে থাকলেও চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। কিন্তু একবার বুকে কফ জমলে যদি তা আর না যেতে চায়, তবে ফুসফুসের হাল নিয়ে কিছুটা সতর্ক হওয়া দরকার। কফের সঙ্গে রক্তক্ষরণ হওয়া ভালো লক্ষণ নয়। এর সঙ্গে হাসতে গেলে বা কাশির সময় যদি বুকে ব্যথা অনুভূত হয়, তাহলে সময় নষ্ট না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

৬) মুখের এক দিকটা ফোলা দেখাচ্ছে? ঠান্ডা লাগলে কিংবা দাঁতে ব্যথা হলে এমনটা হতে পারে। কিন্তু এই ফোলা ভাব দীর্ঘদিন থাকলে সতর্ক হন, এটি ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
ইউএইচ/





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply