ঝিনাইদহে বাহারী ইফতারির পসরা

|

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

রমজান মাসে ঝিনাইদহ শহরের মোড়ে মোড়ে বসেছে ভাসমান ইফতারের দোকান। শহরের হোটেল, রেস্টুরেন্টের সামনেও বসেছে ইফতারের দোকান। প্রতিটি ইফতারির দোকানে রোজাদারদের ভিড় দেখা যায় চোঁখে পড়ার মত।

দোকানগুলোতে ইফতারের খাবার হিসাবে পিঁয়াজু, বেগুনি, ছোলা, বিভিন্ন ধরনের চপ, মুড়ি, হালিম, জিলাপি, বেগুনি, ভেজিটেবল রোল, বুন্দি, খেজুর ইত্যাদি। নানা রকম মুখরোচক ইফতার সামগ্রী দিয়ে ক্রেতাদের নজর কাড়ার চেষ্টা করছেন বিক্রেতারা।

দুপুরের পর থেকেই শুরু হয় বেচাকেনা। বাসায় নানা রকমের ইফতার সামগ্রী তৈরি হলেও অনেকেই দোকান থেকে ইফতারির বিভিন্ন পদ কিনে নিচ্ছেন। ইফতারের সময় সব রোজাদারই চান সাধ্যমতো মুখরোচক খাবার দিয়ে ইফতার করতে। তাই বিকেল থেকেই প্রতিটি বাসায় পড়ে যায় ইফতার তৈরির ধুম। বাসার তৈরি ইফতারের সঙ্গে যোগ হয় বাইরে থেকে কিনে আনা ইফতার সামগ্রী। শহরের বিভিন্ন ইফতারির দোকান ঘুরে দেখা যায়, নানা স্বাদের ইফতারসামগ্রীতে দোকানগুলো সাজিয়ে রাখা হয়েছে। ক্রেতারাও এ দোকান, ও দোকান ঘুরে নিজেদের পছন্দমতো ইফতারি কিনছেন।

ইফতারের দোকানে পিঁয়াজু বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি, ছোলা ৭০ টাকা কেজি, বেগুনি প্রতিপিচ ৫-১০ টাকা করে। বিভিন্ন ধরনের সবজি বড়া পাওয়া যাচ্ছে প্রতিপিচ ৫-১০ টাকায়। রমজানের বাজারে মুড়ি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা কেজি। বুন্দি বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা কেজি। শাহী জিলাপি বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ কেজি। আলুর চপ প্রতি পিচ ৫ টাকা করে পাওয়া যাচ্ছে, ডিমের চপ বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা প্রতি পিচ। ভেজিটেবল রোল প্রতিপিচ ১০-৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। ইফতারিতে খেজুর চাই-ই সকল রোজাদারের আর বর্তমানে খেজুর বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা কেজি। ফলের মধ্যে আপেল বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৮০ টাকা কেজি, বাজারে কলা ২৫-৪০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। বাজাওে ছোট আনারস বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা জোড়া।
পাইরাচত্বরে কথা হয় ইফতারি কিনতে আসা মিজানুর বলেন, আমরা মেসে থাকি এখান থেকে ইফতারি কিনতে এসেছি। তবে গত বারের তুলনায় এবার ইফতারের দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে। ইফতারের মানও খুব বেশি ভালো দেকছি না। ছোলা, মুড়ি ও পিঁয়াজু ছাড়া ইফতারি ভালো লাগে না সে জন্যই কিনতে আশা ।

ইফতারি বিক্রেতা মোঃ জনি বলেন, আমরা প্রতি বছর ইফতারির দোকান দিই। এবার ইফতারি বেচা ভালোই হচ্ছে এখন পর্যন্ত। সব জিনিসের দাম একটু বেশি থাকায় আমাদের ইফতারির আয়োজনেও দাম বাড়াতে হচ্ছে।









Leave a reply