আইসোলেশনে চুয়াডাঙ্গার সেই বৃদ্ধা

|

ফাইল ছবি

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গায় মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ দেখা দেয়া সেই বৃদ্ধাকে সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে। সেখানে আপতত তাকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। 

শুক্রবার (১০ জুন) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আওলিয়ার রহমান। 

তিনি জানান, সদর উপজেলার ভান্ডারদহ গ্রামের বাসিন্দা ওই বৃদ্ধা বৃহস্পতিবার (৯ জুন) অসুস্থ অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আসেন। তার হাতসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় অসংখ্য ফোস্কা ছিল। হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন ওই বৃদ্ধাকে চেকআপ করার পর এক ধরনের পক্সের উপসর্গ দেখে বিষয়টি সিভিল সার্জন ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে জানান। পরে তাদের পরামর্শে ওই বৃদ্ধাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হোম আইসোলেশনে পাঠানো হয়।
 
তিনি আরও জানান, শুক্রবার সকালে ওই বৃদ্ধাকে আবারও সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। তাকে আপাতত হাসপাতালের আইসোলেশনে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। যেহেতু রোগটি আমরা প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করতে পারিনি, তাই তাকে আলাদা রাখা হচ্ছে। পর্যবেক্ষণের পর যদি উপসর্গ দেখে রোগ নির্ণয় করতে না পারি তাহলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিদের আবারও ডাকা হবে। তারা ওই বৃদ্ধার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করবেন তারা। তবে, রোগ নির্ণয় না হওয়া পর্যন্ত এটিকে মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ বলা যাবে না বলেও জানান তিনি।

সিভিল সার্জন সাজ্জাদ হাসান জানান, ওই বৃদ্ধার শরীরে মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। রোগ নির্ণয়ের আগে এটিকে মাঙ্কিপক্স বলে আতঙ্ক ছড়ানো যাবে না। আমরা তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছি। এটা নিয়ে জেলাবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

এর আগে, বৃহস্পতিবার ওই বৃদ্ধার শরীরে মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ সন্দেহে তাকে বাসায় আইসোলেশনে পাঠানো হয়। শুক্রবার তাকে হাসপাতালের আইসোলশনে নেয়া হয়। 

/এসএইচ





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply