নিজেকে পুরুষ দাবি করে চাচিকে নিয়ে উধাও রাজশাহীর তরুণী, অতপর..

|

প্রতীকী ছবি

সাত মাস আগেও স্বামীর ঘরে ছিলেন এক সন্তানের জননী। কিন্তু স্বামীর সাথে বিচ্ছেদের পর ঠাঁই হয় বাবার বাড়িতে। এরপর হঠাৎই বদলে যান ওই তরুণী। ধারণ করেন পুরুষের মতো বেশভূষা। দাবি করেন, নারী থেকে পুরুষে রূপান্তরিত হয়েছেন তিনি। আসল নাম বদলে নিজেই নিজের নতুন নামও রাখেন তিনি। বয়সে বড় পাশের বাড়ির এক চাচির সঙ্গে প্রেম করে দুজনে ছেড়েছিলেন ঘরও। কিন্তু রূপান্তরের মিথ্যে গল্পটা ধোপে টেকেনি সংসার করতে গিয়ে। অগত্যা দুজনই ফিরেছেন নিজ নিজ ঘরে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায়।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, বছর তিনেক আগে কথিত বিয়ে হয় ওই তরুণীর। মাস সাতেক আগে, স্বামীকে তালাক দিয়ে তিনি নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলেন পাশের বাড়ির এক নারীর সঙ্গে। সেই নারীও তালাক দেন তার স্বামীকে। গত ২৩ মে বাড়ি থেকে লাপাত্তা হন দুজনই। পরে ওই তরুণীর পরিবার তাকে খুঁজতে পুলিশের শরণাপন্নও হয়।

এরপর তারা দুজনে ঢাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে উঠেছিলেন। ঢাকায় গিয়ে বিয়ে করার দাবিও করেন তারা। সেখানে সংসার করতে গিয়ে একপর্যায়ে খোলাসা হয় রূপান্তরিত ছেলে নন, তিনি মেয়ে। এ নিয়ে বচসা হলে অতঃপর তারা আবারও ফেরেন গ্রামে। তরুণীর দাবি, তিনি ভালোবাসেন মেয়েটিকে। তবে, মেয়েটির দাবি তার আবেগ নিয়ে প্রতারণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন আলোচিত মডেল সানাই মাহবুব

গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, জিডি থাকায় দুই তরুণীকে শুক্রবার হেফাজতে নিয়ে জেরা করেছে পুলিশ। এক তরুণী নিজেকে পুরুষ দাবি করলেও সেটি আসলে প্রতারণা। তার সাথে ঘর ছেড়ে যাওয়া তরুণী বিষয়টি প্রথমে টের পাননি। এ নিয়ে তার অভিযোগও নেই। আবার তারা দুজনেই ঢাকায় গিয়ে বিয়ের দাবি করেন। কিন্তু বিয়ের কোনো কাগজ দেখাতে পারেননি। এদের সম্পর্ক কোনো আইনের মধ্যেও পড়ে না। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে পরিবারের জিম্মায় দেয়া হয়েছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

জেডআই/





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply