শেষের পথে পিরোজপুরের ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর নির্মাণ কাজ

|

আগামী জুনেই উদ্বোধন করা হবে ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু।

দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের বহুল কাঙ্ক্ষিত পিরোজপুরের অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এরইমধ্যে শেষ হয়েছে মূল সেতুর নির্মাণ। আগামী জুনের মধ্যেই প্রকল্পের বাকি কাজটুকু শেষ হবে বলে জানিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ। এরপর উদ্বোধনের অপেক্ষা। দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি চালু হলে গতি আসবে এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে।

পিরোজপুরের কচা নদীর ওপর ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণের ফলে বরিশাল বিভাগের সাথে নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ চালু হবে খুলনার। কচা নদীতে ফেরি পারাপারে সময় লাগে অন্তত ৪৫ মিনিট। বর্ষায় পানি প্রবাহ ও স্রোত বেড়ে গেলে সময় লাগে আরও বেশি। এছাড়া জরাজীর্ণ ফেরি ও বৈরী আবহাওয়ার ভোগান্তি তো আছেই। তাই এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিলো সেতু নির্মাণের।

২০১৮ সালে বেকুটিয়া ফেরিঘাটের কাছে অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ভার্চুয়ালি নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরইমধ্যে শেষ হয়েছে মূল সেতুর কাজ। টোল প্লাজা নির্মাণের কাজও আগামী এক মাসের মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্পের ব্যবস্থাপক।

৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাসুদ মাহমুদ সুমন বলেন, ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এই মাসের মধ্যে সেতুর বাকি কাজও শেষ হয়ে যাবে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সেতুটি চালু হলে গতি আসবে এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে। পিরোজপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন, ব্রিজের আশেপাশে যেসব জমিজমা আছে সেগুলোতে বিভিন্ন শিল্প-কারখানা গড়ে উঠতে পারে। এতে এই এলাকায় ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

প্রায় এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৮০০ কোটি টাকারও বেশি। এরমধ্যে চীন সরকার দিচ্ছে ৬৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। বাকি অর্থায়ন বাংলাদেশ সরকারের। জুনে শেষ হবে এ প্রকল্পের মেয়াদ।

/এসএইচ





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply