কতদিন থাকবেন ডোমিঙ্গো-নান্নু, যা বললেন পাপন

|

যমুনা টিভির সাথে আলাপচারিতায় নাজমুল হাসান পাপন।

বাংলাদেশের ক্রিকেটে আলোচিত দুই নাম রাসেল ডোমিঙ্গো এবং মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। প্রতি সিরিজের আগেই চাকরি নেই তাদের, এমন গুঞ্জন ওঠে। তবে বিসিবি সভাপতি সাফ জানিয়ে দিলেন, ২০২৩ সালের নভেম্বর পর্যন্তই কোচ হিসেবে থাকছেন ডোমিঙ্গো। আর নান্নু-বাশারের বিপক্ষে ব্যর্থতার কোনো প্রমাণ পাননি বলেও জানান বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তাদের অসম্মানজনক বিদায় হোক, সেটিও চান না বলে জানিয়েছেন তিনি যমুনা টিভির সাথে খোলামেলা আলাপচারিতায়।

রাসেল ডোমিঙ্গোর সাথে বিসিবির চুক্তি আছে ২০২৩ সাল পর্যন্ত। সে পর্যন্ত টাইগারদের হেড কোচের না থাকার কোনো কারণ দেখেন না নাজমুল হাসান পাপন। তিনি বলেন, আমাদের ইতোমধ্যে দারুণ একজন ফাস্ট বোলিং কোচ হাতছাড়া হয়ে গেছে। ওটিস গিবসনের ব্যাপারে আমাদের ফাস্ট বোলাররা সবাই ইতিবাচক কথা বলেছে। মোস্তাফিজ যেমন বলেছে, ওর বল আগে ভেতরে ঢুকতো না। ওটিস গিবসনই তা শিখিয়েছে। একইভাবে এবাদত, তাসকিনরাও বলে যে, ওটিস যা শিখিয়ে গেছেন তা আগে কেউ শেখায়নি। আমরা তাই একজনকে মিস করে ফেলেছি।

গত বছরের ডিসেম্বরে হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোকে চিঠি দিয়েছিল বিসিবি। এমন ঘটনার সত্যতা জানতে চাওয়া হয় বিসিবি সভাপতির কাছে। নাজমুল হাসান পাপন বলেন, এমন কোনো ঘটনা যখনই প্রকাশ হয় তখনই টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে শুরু করে কোচিং স্টাফের ওপর এমন এক বিরূপ প্রভাব পড়ে যে, তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মাঠের পারফরমেন্স। এখন আমাদের টানা ক্রিকেট। তাই এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্যই করতে চাই না। আমরা এখন পর্যন্ত জানি, সম্ভবত ২৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ডোমিঙ্গোর সাথে আমাদের চুক্তি আছে। এবং সে থাকছে।

বিসিবির নির্বাচকমণ্ডলির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে ৬ মাস আগে। তাদের ভবিষ্যতের ব্যাপারে রয়ে গেছে অনিশ্চয়তা। সে প্রসঙ্গে পাপন বলেন, আগামী বোর্ড মিটিং পর্যন্ত তো ওরা আছেই। বোর্ড মিটিংয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। হাবিবুল বাশার এবং মিনহাজুল আবেদীন নান্নুই থাকছেন কিনা, সে ব্যাপারে বিসিবি সভাপতি কথা বলেছেন পরিষ্কার স্বরে। তিনি বলেন, যারা সাবেক ক্রিকেটার এবং জাতীয় দলের অধিনায়কত্বও করেছেন তাদের অসম্মানজনকভাবে বিদায় করার মতো মানুষ আমি নই। ক্রিকেটার যদি না হন তবে অন্য কথা। সেই সাথে, বোর্ডে যারাই থাকুক না কেন, কেউ বিপদে পড়লে আমি যথাসাধ্য সাহায্য করে থাকি। শুধু বোর্ড না, আমি যতগুলো সংগঠনে আছি তার সবগুলোতেই কেউ বিপদে পড়লে আমি সাহায্য করার চেষ্টা করি।

নির্বাচকদের মেয়াদের ব্যাপারে ক্রিকেটীয় কারণ উল্লেখ করে বিসিবি সভাপতি জানান, তাদের ব্যাপারে কোনো অভিযোগ তিনি খুঁজে পাননি। পাপন বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাকে কেউ কোনো কারণ দেখাতে পারেনি। স্কোয়াড দেয়ার ক্ষেত্রে বড় কোনো ভুল বা গণ্ডগোল কেউ দেখাতে পারেনি। তবে বলতে পারি, আগামী বোর্ড মিটিংয়ে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

আরও পড়ুন: সংসার নাকি সাকিব, কোনটি সামলানো কঠিন; যা বললেন পাপন

/এম ই





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply