ছাত্রীদের ধর্ষণকারী সেই শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

|

প্রদ্যুৎ কুমার সরকার, মাদারীপুর

মাদারীপুরের শিবচরের উমেদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে তা ভিডিও ধারণ করে টানা ৩ বছর শারীরিক সম্পর্ক করার অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক রবিউল ইসলামকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। বিষয়টির সত্যতা শনিবার দুুপুরে নিশ্চিত করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। মামলার প্রায় সপ্তাহ পেরুলেও লম্পট শিক্ষক রবিউলকে এখনো গ্রেফতার না করায় পুলিশের ভুমিকা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

জানা যায়, জেলার শিবচর উপজেলার উমেদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে একই বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। দশম শ্রেনির ওই মেধাবী ছাত্রী ১৩ মার্চ রবিউলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে তার ভিডিও ধারণ করে প্রায় ৩ বছর ধরে ধর্ষণের অভিযোগ করে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে। এরপরই বের হয়ে আসে একের পর এক অপকর্মর তথ্য। বের হয় ওই মেয়ের সাথে আপত্তিকর ছবি অডিও রেকর্ডিং। এরপর ৯ম ও দশম শ্রেনির আরও দুই শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকেও নাম প্রকাশে না করার শর্তে শিক্ষক রবিউলের বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে। এরপর রবিউল গা ঢাকা দেয়। স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করেও কোন উত্তর পায়নি বলে জানা যায়।

এদিকে এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারের পর গত ৭ মে শিবচর থানায় মামলা হয়। এ ছাড়াও ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক রবিউল রাজবাড়ি জেলার পাংশা উপজেলার বড়গাছি গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে।

উমেদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকনুজ্জামান বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছেন ম্যানেজিং কমিটি। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সে শিক্ষক সমাজকে কলঙ্কিত করেছে।









Leave a reply