ইউটিউব দেখে কালো ধান চাষে সফল ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্র

|

ব্ল্যাক রাইসে ছেয়ে গেছে তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা সুষমের ক্ষেত।

ইউটিউব দেখে পঞ্চগড়ে প্রথম ব্ল্যাক রাইস ধান চাষ করে সফল হয়েছেন ঢাকা কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী সাদেকুল ইসলাম সুষম। রোপনের ৮০ দিনের মধ্যে ক্ষেতে দোল খাচ্ছে কালো ধান। দেখতে ছুটে যাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা। সুষমের এমন সাফল্য দেখে অনুপ্রাণিত হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা। কৃষি বিভাগের সহযোগিতা পেলে আগামীতে বাণিজ্যিকভাবে ব্ল্যাক ধান চাষের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সুষম।

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা সদর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে সীমান্তবর্তী গ্রাম ইসলামবাগ। এই গ্রামেই পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমবারের মতো দুই বিঘা জমিতে ব্ল্যাক রাইস প্রজাতির ধানের চাষ করেছেন সুষম। ঢাকা কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর শেষ করে এই যুবক বাড়ি ফিরে আসেন। করোনার সময় ইউটিউবে ব্ল্যাক রাইসের চাষ পদ্ধতি দেখে অনুপ্রাণিত হন। এরপর গাজীপুর থেকে ৫০০ টাকা দরে কয়েক কেজি বীজ সংগ্রহ করেন তিনি। প্রথমবারেই বাম্পার ফলন পেয়েছেন সুষম।

তরুণ এই কৃষি উদ্যাক্তা বলেন, এই ধানের বীজ কোথায় পাওয়া যায় সে বিষয়ে খোঁজাখুঁজি করে অবশেষে সন্ধান পাই। ৩-৪ মাসের মধ্যেই ধানে ভালো ফলন পেয়েছি। কিছুটা বীজ হিসেবে এবং বাকি যেটুকু থাকবে তা ঢেঁকিছাঁটা চাল হিসেবে বাজারজাত করতে চান সুষম।

দেশী ধানের মতোই একই প্রক্রিয়ায় এ ধান চাষ করা যায়। বাজারে এই চালের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আগামীতে বাণিজ্যিকভাবে চাষের প্রস্তুতি চলছে। এই কালো ধানের চাষ এবং উপকারিতার কথা শুনে অনেক কৃষকই ক্ষেত দেখতে আসছেন।

তরুণ উদ্যোক্তার পাশে রয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। দেয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় সহায়তা। নতুনদেরও পরামর্শ দেবেন কৃষি কর্মকর্তারা। তেঁতুলিয়া কৃষি অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, টেকনিক্যাল সহযোগিতা দিচ্ছি আমরা, সেই সাথে উৎসাহ দিচ্ছি এই ধান চাষে। আমরা চাই বাংলাদেশে এর ভালো বাজার তৈরি হোক।

ব্ল্যাক রাইস অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধান। রোগ প্রতিরোধী এ চালের চাহিদা ব্যাপক।

এসজেড/





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply