উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে প্রতিটি মানুষের কথা ভেবেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

|

এসডিজি বাস্তবায়ন পর্যালোচনা বিষয়ক দ্বিতীয় জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুধু শহরভিত্তিক নয়, তৃণমূলের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি মানুষের কথা মাথায় রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেছে সরকার। এমনটি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (১৬ মে) সকালে গণভবন থেকে এসডিজি বাস্তবায়ন পর্যালোচনা বিষয়ক ২য় জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধন শেষে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বাধাগ্রস্ত হলেও নির্দিষ্ট সময়ে এসডিজি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে সরকার। পানি, বিদ্যুৎ ও খাদ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তাদের অবহেলিত রেখে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। সমাজে প্রতিবন্ধি ভাতাসহ বিভিন্ন শ্রেণির জন্য ভাতা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সকলে মিলে একসঙ্গে কাজ করলে ২০৩০ সালের মধ্যে লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রাগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে বাস্তবায়ন করা কঠিন। তবুও পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করলে তা সম্ভব। অর্জনগুলোকে ধরে রেখে আগামীতে যা বাস্তবায়ন করতে চাই তার পরিকল্পনা করতে হবে। এক ইঞ্চি জায়গা খালি রাখা যাবে না। পানি, বিদ্যুৎ, খাদ্য ব্যবহারের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী হতে হবে। কারণ, কোভিড ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে। সামনে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। অপচয় কমিয়ে আনতে হবে।

ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, ১৯৮১ সালে জনগণের সমর্থন নিয়ে দেশে ফিরে আসি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে। তখন গণতন্ত্র ছিল না। সামরিক স্বৈরাচাররা দেশ চালাতো। আমরা এখন সামাজিক নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করছি। এমনভাবে সহযোগিতা করছি যাতে মানুষ কর্মবিমুখ না হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেই পারমাণবিক বিদ্যুতের সমালোচনা করেন। কিন্তু এগুলো যে মানুষের কাজে লাগবে সেটা তারা বিবেচনা করেন না। নদীমাতৃক বাংলাদেশের তৃণমূলের মানুষ এতে উপকৃত হবেন। ঢাকা শহরে বসে না থেকে গ্রামে গিয়ে দেখুন। টিভিতে টকশো করছেন আর বলেন যে, কথা বলতে দেয়া হয় না। কিন্তু কারও মুখ তো চেপে ধরা হয়নি। গ্রামে যান, খেটে খাওয়া মানুষদের দেখুন। কৃষক, শ্রমিক, খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নয়ন হচ্ছে।

/এম ই





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply