চট্টগ্রামে নবনির্মিত স্লুইস গেটের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে বিপত্তি

|

চট্টগ্রামে নির্মিত স্লুইস গেট।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম মহানগরীতে নির্মিত ১৭টি স্লুইস গেট নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন বিপত্তি। পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিয়ে পরস্পর বিরোধী অবস্থানে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) এবং সিটি করপোরেশন। ফান্ড এবং জনবল ছাড়া দায়িত্ব নিতে নারাজ মেয়র।

ভরাট হতে হতে কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা কমে যাওয়া বন্দরনগরীর জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। জোয়ারের সময় নদীর পানি সব খাল হয়ে ঢুকে পড়ে নগরীতে। সংকট নিরসনে দু’টি প্রকল্পের আওতায় কর্ণফুলী নদীর মুখে ১৭টি স্লুইসগেট নির্মাণ করছে সিডিএ। ১০টির কাজ প্রায় শেষ, মে মাসে চালুর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাকি কাজ। কিন্তু অপারেট করা এবং রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে তৈরি হয়েছে বিপত্তি। সিডিএ চায় খালের মতো এসব গেটের রক্ষণাবেক্ষণ করুক সিটি করপোরেশন।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী হাসান বিন শামস বলেন, এ বছর কারা এটি রক্ষণাবেক্ষণ করবে সেটি আমরা মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেবো। প্রয়োজনে কিছু লোককে প্রশিক্ষণ দিয়ে এ বছরের মতো কাজ চালানো যেতে পারে। তবে যতগুলো লোকের প্রয়োজন পরের বছর তাদের নিয়োগ দিলে আমরা এগুলোর দেখভাল করবো। এদিকে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, আমরা বলেছি আমাদের লোকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে বা যথেষ্ট পরিমাণ ফান্ড দিয়ে যাতে আমাদের হাতে হস্তান্তর করা হয়।

এসব স্লুইসগেট অপারেট করতে প্রয়োজন প্রকৌশলী, ইলেকট্রিশিয়ান, টেকনিশিয়ানসহ ৩০ জনের বেশি লোকবল, খরচও অনেক। ফলে দায়িত্ব নিতে নারাজ সিটি করপোরেশন। সরকারি এই দুই সংস্থার ঠেলাঠেলিতে, আসন্ন বর্ষায় এসব স্লুইসগেট চালু এখন অনিশ্চিত। শঙ্কা বাড়ছে গতবারের চেয়েও বেশি জলাবদ্ধতার শিকার হতে পারে নগরবাসী।

১৭ টি স্লুইসগেটের মধ্যে ১২ টি নির্মিত হচ্ছে কালুঘাট থেকে শাহ আমানত সেতু পর্যন্ত সড়ক বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায়। বাকি ৫ টি নির্মিত হচ্ছে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায়।

এসজেড/





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply