‘এতদিন পরে তিনি কেন আসলেন?’

|

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে শুনানি শুরু। বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের পক্ষে শুনানি করছেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। অন্যদিকে, রিটকারী শিমুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম আজহারুল ইসলাম সুরুজের পক্ষে শুনানি করছেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দীন মাহমুদ।

রোকন উদ্দীন মাহমুদ বলেন, সীমানা নিয়ে গেজেটের জটিলতা মূল সমস্যা। এই কারণে নির্বাচন অনুষ্ঠান ঠিক হবে না। এটা আগে সমাধান করা উচিত। শুনানি চলাকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, নতুন সিডিউলে নির্বাচন হলে তো সমস্যা নাই। সবাই চাই নির্বাচন হোক।

আদালত বলেন, ২০১২ সালের গেজেটে এই সীমানা অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু ২০১৩-তে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। তবুও নির্বাচন হয়েছে। কীভাবে হলো আদালতের প্রশ্ন? ২০১৩ সালে নির্বাচিত হবার পর তার সীমানা যদি অন্য জেলায় অন্তভূক্ত হয়ে থাকে তবে এতদিন পরে তিনি (চেয়ারম্যান সুরুজ) কেন আসলেন?

নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পিটিশন নিষ্পত্তি হলে রায় পিটিশনারের পক্ষে গেলে নির্বাচন বাতিল হবে এমন উদাহরণ বাংলাদেশের ইতিহাসে খুঁজে পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দীন মাহমুদ।

হঠাৎ বিজিএমইএ প্রসঙ্গ তুলে আদালতের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিজিএমইএ ভবন ভাঙ্গার জন্য আদেশ দিয়ে আপনারাই বারবার সময় দিচ্ছেন।

আদালত বলেন. বিজিএমইএ ভবন ভাঙ্গা বন্ধের জন্য আপনিই আসছেন আমাদের কাছে তাদের পক্ষ নিয়ে।

এরপর আবার শুনানি শুরু করেছেন বিএনপি প্রার্থীর আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৫ মে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন হওয়ার কথা। সে অনুযায়ী প্রার্থীরাও প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু সাভারের শিমুলিয়া ইউনিয়নের ছয়টি মৌজা গাজীপুর সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম আজহারুল ইসলাম সুরুজ হাইকোর্টে রোববার রিট করেন। এই প্রেক্ষিতে নির্বাচনে স্থগিতাদেশ দেন হাইকোর্ট।

যমুনা অনলাইন: টিএফ









Leave a reply