মশার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটির বেশ কিছু এলাকা: জরিপ

|

মশার জ্বালায় অতিষ্ঠ রাজধানীবাসী। বলতে গেলে বছর জুড়েই রেহাই নেই মশার যন্ত্রনা থেকে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক জরিপে বলা হয়, মশার উচ্চ ঝুঁকিতে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া। লাল তালিকাভুক্ত হলেও কারও টনক নড়েনি। মশা বিস্তারের যুতসই জায়গা খোদ সিটি করপোরেশনের নির্মাণাধীন প্রকল্পগুলো।

কেবল রাজধানীর গেন্ডারিয়া বা ওয়ারি নয়; মশার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ীসহ দক্ষিণ সিটির বেশকিছু এলাকা। নিজস্ব জরিপে এমন তথ্য পেয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। মশক নিধনের ক্র্যাশ প্রোগ্রামের আওতায় আনা হবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা।

ডিএসসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ জানান, প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেয়া হবে সরকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও। এই অবস্থায় মঙ্গলবার থেকে বিশেষ অভিযান শুরু করছে সিটি করপোরেশন।

রাজধানীর বেশ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সকাল-সন্ধ্যায় মশার উপদ্রপ ঠেকানো দায়।

মশা নিধনে বিকেলে ওষুধ ছিটানো হলেও সকালে ওষুধ ছেটানো চোখে পড়ে না অনেকের। নির্মাণাধীন প্রকল্পের ভেতরে ওষুধ দেয়ার প্রবণতাও কম।

জরিপ বলছে ৪০, ৪৫ ও ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড উচ্চ ঝুঁকিতে। ১৩, ১৫, ২১ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ড মধ্যম ঝুঁকির। এর আগেও উত্তরের তুলনায় মশা নিধনে পিছিয় ছিল ঢাকার দক্ষিণ সিটি। এ ব্যাপারের ডিএসসিসি’র কাউন্সিলর সারোয়ার হোসেন আলো জানান, তার ওয়ারী এলাকাসহ আশপাশে ঘন বসতি। সেখানে সচেতনতাও কিছুটা কম। আর সে কারণে মশার উপদ্রব বেড়েছে।

মশক নিধনে বছরব্যাপী প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। এ ব্যাপারে ফরিদ আহাম্মদ বলেন, বর্ষার সময় যত্রতত্র কোনো ময়লা পড়ে না থাকে, পানি জমা না থাকে; আমরা সে ব্যবস্থাটি নিচ্ছি। সর্বোচ্চ ইফোর্ট যদি দিই, এডিস মশা নিধনে সিটি করপোরেশনের ভূমিকা ২০ শতাংশ। দায় শুধু সিটি করপোরেশন নেবে না। গণপূর্তের কোয়ার্টারে তারা যদি ব্যবস্থা না নেয় তাহলে আমরা ব্যবস্থা নেব।

সামনে বর্ষা। তাই মশা নিধনে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ডেঙ্গু মোকাবেলা কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

/এমএন





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply