যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেয়াই চ্যালেঞ্জ: মাসুদ বিন মোমেন

|

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। ফাইল ছবি।

মাহফুজ মিশু:

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেয়াই সরকারের চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। সরকারের এই শীর্ষ কূটনীতিক বলছেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন ক্ষেত্র, অগ্রাধিকার। সন্ত্রাসবাদ ও ধর্মীয় উগ্রবাদ মোকাবেলায় দু’দেশ আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বলেও জানান তিনি। আপাতত র‍্যাবের সঙ্গে না হলেও অন্যান্য বাহিনীর সাথে তা অব্যাহত রাখার কথা বলছেন পররাষ্ট্র সচিব।

ওয়াশিংটনে সম্প্রতি শেষ হওয়া নিরাপত্তা সংলাপে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার ছিল র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের অনুরোধ। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনের সাথে আলোচনায়ও তা তুলেছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেন। ডিসেম্বর পরবর্তী সব দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেই এই আলোচনা ছিল বড় অংশজুড়ে। এখন পর্যন্ত তা সমাধান তো দূরের কথা, আশ্বাসও মেলেনি। বরং র‍্যাবের জবাবদিহিতা আর সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ বাস্তবায়ন ছাড়া যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হচ্ছে না, তা স্পষ্ট করেছে ওয়াশিংটন।

এ অবস্থায়ও সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের মতো বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলায় আরো ওতপ্রোতভাবে কাজ করতে চায় দুই দেশ।

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, অ্যান্টি ট্যারিরিজম, উগ্রাবাদ, মানবপাচার, ড্রাগসহ আরো কিছু বিষয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের একত্রে কাজ করার সুযোগ আছে। সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিজেই বলেছেন, পুলিশের অন্যান্য বিভাগ যেগুলো আছে, সেগুলোর সঙ্গে কো-অপারেশন, ট্রেনিং, ক্যাপাসিটি বিল্ডিং এগুলো চলতে পারে।

সম্পর্কে বৈচিত্র আনতে চায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র, দুপক্ষ। এক্ষেত্রে বিনিয়োগ আর ব্যবসা বাণিজ্য বাড়ানো ঢাকার অগ্রাধিকার। আছে জলবায়ূ পরিবর্তন মোকাবেলা ও কৃষি উন্নয়নের মতো বিষয়ও। সব মিলিয়ে বন্ধুত্ব আরো জোরদারের চেষ্টা অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ।

এ ব্যাপারে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, কীভাবে সম্পর্কটাকে এগিয়ে নেয়া যায়, সেটাই হলো চ্যালেঞ্জ। বিরাট ব্যপ্তিতে আমাদের সম্পর্ক রয়েছে। বিনোয়োগে আরও কীভাবে বৈচিত্র্য আনা যায় এবং রফতানি বৃদ্ধিসহ দেশে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব প্রকল্প রয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারকে মিল রেখে আরও কীভাবে কাজ করা যায় এসব বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আশা, দু’একটি বিষয়ে ভিন্নমত থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কে টানাপোড়েন নেই কোনো।

/এমএন





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply