কুরিয়ারে করে সাবমারসিবল পাম্পে ইয়াবা আনা হয় ঢাকায়, চক্রের ৪ সদস্য আটক

|

সাবমারসিবল পাম্প, ব্যবহৃত হয় মাটির নিচ থেকে পানি উঠানোর কাজে। তবে, পাইপের মতো দেখতে মেশিনটির ভেতরে থরে থরে সাজিয়ে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে ইয়াবার প্যাকেট। যা বাইরে থেকে ঘুণাক্ষরেও টের পাওয়ার সুযোগ নেই।

কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে এভাবে চালান আসছে ভয়ঙ্কর মাদক ইয়াবার। সম্প্রতি ধরা পড়ে এ রকম একটি চালান। মিয়ানমার হয়ে কক্সবাজারে থেকে আনা এই ইয়াবার গন্তব্য ছিল ঢাকার যাত্রাবাড়ীর ফয়সাল নামের এক যুবকের কাছে।

চক্রটির চার সদস্য ডিবি পুলিশের হাতে আটক হয়। যারা বহুদিন ধরে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ভারী জিনিসের ভেতর ইয়াবা আনে। জানা গেছে, ৪০-৪৫ টাকায় টেকনাফ থেকে কিনে এনে ঢাকায় প্রতি পিস বিক্রি করা হতো তিনশো থেকে চারশো টাকায়।

ইয়াবা চালানটির মূল হোতা কক্সবাজারের আফসার ও হাসান নামের দুজন। পানির পাম্পের ভিতর ঢুকিয়ে। হাসান পাম্পের ভিতর দিয়েবিশেষএস.এপরিবহনে দেয়। কক্সবাজারেরফয়সালেরনামেবুকিংদেয়।তিনভাগে সাজানো এ্তই চালান যাবার কথা মুন্সিগঞ্জ, পাবনা ও ঢাকায়।৪০ টাকার প্রতি পিস ইয়াবা খুচরা বিক্রি হয় ৩/৪শ টাকা। কখনো ৭শটাকা পর্যন্ত দাম ওঠে। প্রতি ধাপে কমিশন পান ব্যবসায়ী ও বহনকারীরা।

পুলিশ বলছে, কুরিয়ার সার্ভিসে কোনো চেকিং হয় না। যে যা ইচ্ছে তাই পাঠাতে পারে। সেই সুযোগে আনা-নেয়া করা হচ্ছে ইয়াবাসহ অবৈধ পণ্য। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কুরিয়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহির ব্যবস্থা করবে গোয়েন্দা পুলিশ।

ডিএমপি’র ডিবি বিভাগের উপ-কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, তাদেরকে (কুরিয়ার সার্ভিস কোম্পানি) চিঠি দিব। তারা যেন অভ্যন্তরীণ পণ্য পাঠানোর সময় স্ক্যানিং করে বিস্ফোরক দ্রব্য, মাদক না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

টেকনাফের বড় বড় হোতারা আইনের আওতায় না আসায় শুধু ঢাকায় অভিযান চালিয়ে এই পাচার ঠেকানো সম্ভব নয় বলে মনে করেন কর্মকর্তারা।

/এমএন





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply