বগুড়ায় চাচাকে কুপিয়ে হত্যা, ভাতিজাসহ আটক ৫

|

বগুড়া ব্যুরো:

বগুড়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে ভাতিজার নেতৃত্বে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে আব্দুর রাজ্জাক সরকার নামে একজন দ্বৈত নাগরিককে। রাজ্জাক সরকার একই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের নাগরিক।

স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার (৩ মে) রাত ১টার দিকে নিহত রাজ্জাকের ভাতিজা ওমর খৈয়াম রূপমসহ ৫/৬ জন যুবক তাকে কুপিয়ে খুন করে। খুনের আধ ঘণ্টা পর পুলিশ চেকপোস্টে আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক করা হয় ভাতিজা রূপমসহ ৫ জনকে।

বগুড়া সদর থানার ওসি (তদন্ত) জাহিদুল হক জানান, রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার শেখেরকোলা ইউনিয়নের মহিষাবান নতুন হাট এলাকায় একটি দোকানের সামনে সিএনজি অটোরিকশায় বসেছিলেন আব্দুর রাজ্জাক সরকার (৬৭)। এ সময় একটি প্রাইভেটকারে তার ভাতিজা রূপমসহ কয়েকজন সেখানে আসেন। তারা গাড়ি থেকে নেমে কিছুক্ষণ বাকবিতণ্ডার পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে আব্দুর রাজ্জাককে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। কিছু সময় পরে রাজ্জাক নিস্তেজ হয়ে পড়লে হামলাকারীরা প্রাইভেট কারে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

পুলিশ জানায়, রাত দেড়টার দিকে প্রাইভেট কারটি শহরের দত্তবাড়ি মোড় হয়ে বেপরোয়া গতিতে যাচ্ছিল। তা দেখে টহলরত পুলিশের সদস্যরা গাড়িটির গতিরোধ করেন। এ সময় গাড়ি থেকে একটি বিদেশি পিস্তলসহ রূপম ও তার ৪ সঙ্গীকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে জনি ও আমিন নামে দুজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ছিল। তাদের শমিজেক হাসপাতালে ভর্তির পর বাকি ৩ জনকে থানায় নেয় পুলিশ। এরা হলেন নিহত রাজ্জাকের ভাতিজা ওমর খৈয়ম রূপম, সীমান্ত ও লিমন শেখ। পুলিশ বলছে, আটকের পর রূপম প্রাথমিকভাবে চাচা আব্দুর রাজ্জাকের ওপর হামলা ও কোপানোর কথা স্বীকার করছে।

নিহত রাজ্জাকের স্বজনরা জানান, জমিজমা নিয়ে ভাতিজা রূপমের সঙ্গে অনেকদিন ধরে বিরোধ ছিল আব্দুর রাজ্জাক সরকারের। এই বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে দাবি তাদের।

এটিএম/





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply