সুবর্ণচরে শুকিয়ে গেছে খাল-বিল-পুকুর, পানি উঠছে না নলকূপেও

|

নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচরে বিস্তীর্ণ ফসলি জমির বেশিরভাগই এখন বোরোর দখলে। চাষিদের বোরো চাষে আগ্রহের কারণে এবার ক্ষেতের পরিমাণও বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩ হাজার হেক্টরে। তবে আবাদের পরিমাণ বাড়লেও, পানির সঙ্কটে দেখা দিয়েছে বিপত্তি। সেচের জন্য গভীর নলকূপকেই বেছে নিয়েছেন চাষিরা। বেশিরভাগ জমির পাশেই বসানো হয়েছে গভীর নলকূপ। তবে এখন গ্রামের পর গ্রামে তীব্র হয়েছে পানির সঙ্কট। খাবার পানির খোঁজে তাই শিশু-নারীরা ছুটছেন এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে।

খরা মৌসুমে ভূগর্ভে পানির শূন্যতা দীর্ঘায়িত হলে সঙ্কট আরও প্রকট হয়ে উঠবে বলেই মনে করছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার শিক্ষক তনুজা বড়ুয়া।

এ অবস্থার জন্য অবৈধভাবে গভীর নলকূপের ব্যবহারকে দুষছেন বিএডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মো আলী আশরাফ। সমস্যা সমাধানে ধানের পাশাপাশি অন্যান্য ফসল উৎপাদনে কৃষককে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে বলে জানালেন সুবর্ণচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ।

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে প্রতি হেক্টর জমিতে ধান চাষে পানি খরচ হয় ৪ লাখ ১৪০ কিউসেক। যার মাত্র ৩০ ভাগ পানি ব্যবহৃত হয় পুকুর, খাল-বিল, নদী-নালা থেকে।

/এডব্লিউ





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply