বেনজেমার জোড়া গোলে ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদ

|

কারিম বেঞ্জেমার জোড়া গোলে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ড্র করে টানা তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে খেলার রেকর্ড গড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। বার্নাব্যুতে দ্বিতীয় লেগের খেলা ড্র হয়েছে ২-২ গোলে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে যা গ্যালাকটিকোদের ১৬তম ফাইনাল। যেখানে রেকর্ড ১৩তম শিরোপা থেকে আর ১ ম্যাচে দূরে দাঁড়িয়ে জিনেদিন জিদান শীর্ষরা।

ইনজুরি টাইম শেষ, হতাশায় পুরো ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করা বায়ার্ন মিউনিখ। আর পিছিয়ে পড়েও ২-২ গোলে ড্র করে স্বাগতীক দর্শকদের ১৬ তম ফাইনাল উপহার রিয়াল মাদ্রিদদের। ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে দিন দিন নিজেদের উচ্চতা নিয়ে যাচ্ছে ধরাছোয়ার বাইরে। ১৫ ফাইনালের মধ্যে সবশেষ ১৯৮১ সালেই শুধু রানার্স আপের খেতাব নিয়ে ফিরতে হয় তাদের। এবার হাতছানি রেকর্ড ১৩তম শিরোপার।

প্রথম লেগে ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে এ দিন বার্নাব্যুর ৮০ হাজার দর্শকের সামনে নির্ভার থাকতে পারেনি স্বাগতীক রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচের ৩ মিনিটেই জসুয়া কিমিচের গোলে লিড নেয় বায়ার্ন মিউনিখ। গোটা স্টেডিয়ামে পিনপতন নিরাবতা।

তবে ম্যাচের ১১ মিনিটে মার্সেলোর অ্যাসিস্ট থেকে কারিম বেঞ্জেমার অসাধারণ হেডে সমতা ফেরে গ্যালাকটিকোরা। ৩৩ মিনিটে আবারও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল বায়ার্নের, তবে নাভাসের কল্যানে ব্যর্থ হন হামেস রদ্রিগেস। বল দখলে এগিয়ে থেকেও প্রথমার্ধে আর লিড নেওয়া হয়নি জার্মান জায়ান্টদের।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তালিসোর ব্যাকপাস ফেরাতে ব্যর্থ বায়ার্ন গোলরক্ষক উইলরাইশ। সুযোগ কাজে লাগিয়ে রিয়াল কে ২-১ গোলের লিড এনে দেন কারিম বেঞ্জেমা।

তবে ম্যাচে বেশিক্ষন পিছিয়ে থাকেনি বাভারিয়ানরা। ৬৩ মিনিটে হামেস রদ্রিগেজের গোলে ২-২ গোলে ড্র করে মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন।

প্রথম লেগে অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় ২-১ গোলে জয় পেয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩ গেলের জয় হ্যাটট্রিক শিরোপার সামনে জিনেদিন জিদান শীর্ষরা। আর বিগ ম্যাচে যেনো নিজের ছায়া হয়েই কাটিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালোদো।

 









Leave a reply