বোনের লাশ নিয়ে যাওয়ার সময় স্বামীকে হারালেন

|

বগুড়া ব্যুরো

ক্যান্সারে ঢাকায় মারা যাওয়া শ্যালিকাকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি নওগাঁয় ফিরছিলেন মামুনুর রশীদ মামুন। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী, তিন বছরের শিশুপুত্র আর শাশুড়ি। স্বজন হারানো শোকগ্রস্থ পরিবারটিকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স শুক্রবার দুপুরে বগুড়ার শেরপুরে এসে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ গেছে মামুনের। স্ত্রী-সন্তান আর শাশুড়ি গুরুতর আহত হয়ে এখন হাসপাতালে ভর্তি। স্বামীকে হারিয়ে দিশেহারা ফারজানা আকতার।

শেরপুর থানার পরিদর্শক বুলবুল ইসলাম দুপুর ১টার দিকে যমুনা নিউজকে জানান, অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের শেরপুর অংশে ঘোগা বটতলা এলাকায় দুর্ঘটনার কবলিত হয়। বগুড়া থেকে ছেড়ে আসা একটি মালবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে দুমড়েমুচড়ে যায় অ্যাম্বুলেন্সটি। এতে সেখানেই মারা যান মামুন ও অ্যাম্বুলেন্স চালক। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অ্যাম্বুলেন্স চালকের পরিচয় নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

মামুন

দুর্ঘটনায় আহত মামুনের স্ত্রী ফারজানা আকতার, শিশুপুত্র মোস্তফা ও শাশুড়ি রুনা লায়লাকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রুনা লায়লার অবস্থা গুরুতর। তাকে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

ঢাকাস্থ বদলগাছী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সরদার মেহেদী হাসান যমুনা নিউজকে জানান, মামুন ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। পরিবারটির গ্রামের বাড়ি নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার পারোয়া এলাকায়। মামুনের শ্যালিকা ফারহানা আকতার ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান। তার মরদেহ দাফনের জন্য বাড়ি ফিরছিলেন তারা। এমন শোকাতুর সময়ে পরিবারের আরেক সদস্যের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছেন স্বজনরা।

মামুন-ফারজানার শিশু সন্তান









Leave a reply