‘রোহিঙ্গাদের স্থায়ী প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নিতে হবে মিয়ানমারকেই’

|

বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের যথাযথ মর্যাদা ও নিরাপত্তার সাথে স্থায়ী প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নিতে হবে মিয়ানমারকে। আর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে রাখাইনে সংহিসতা বন্ধ ও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছে কমনওয়েলথ।

শুক্রবার কমনওয়েলথের ২৫তম শীর্ষ সম্মেলনের শেষ দিনে যৌথ ইশতেহারে এই আহ্বান জানানো হয়। একই সাথে রাখাইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনে দোষীদের জবাবদিহির আওতায় আনার তাগিদও দিয়েছে কমনওয়েলথ। এসময় রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসাও করে জোটের দেশগুলো। ইশতেহারে রোহিঙ্গা সংকটের কারণ চিহ্নিত করে সংকট নিরসনে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ দেয়া হয়েছে। রাখাইনে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কফি আনান কমিশনের সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নের পরামর্শও দেয়া হয় কমনওয়েলথের শীর্ষ সম্মেলনের যৌথ ইশতেহারে।

এর আগে শুক্রবার ঐতিহাসিক উইন্ডসর ক্যাসলে রিট্রিট সেশনে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা- কমনওয়েলথ উচ্চ পর্যায়ের গ্রুপে এশিয়ার দেশগুলো থেকে আরও প্রতিনিধি নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এতে সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মতামত সমান গুরুত্ব পাবে।

এছাড়া এ দিন উচ্চ পর্যায়ের গ্রুপের সম্প্রসারণ, অর্থায়নসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। অধিবেশনের প্রথম দিনে কমনওয়েলথের পরবর্তী প্রধান হিসেবে ব্রিটেনের প্রিন্স চার্লসের নাম ঘোষণা করা হয়। এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছান জোটের ৫৩ সদস্য দেশের সরকারপ্রধান।









Leave a reply