রাশিয়া-ইউক্রেন উত্তেজনা; সংঘাত হলে পাশে থাকবে পশ্চিমা মিত্ররা: জেলেনস্কি

|

মস্কো-মিনস্কের প্রস্তুতিতে বাড়ছে যুদ্ধের শঙ্কা।

কিয়েভের পশ্চিমা দূতাবাসগুলো থেকে কূটনীতিকদের সরিয়ে নেয়ার অর্থ এই নয় যে মস্কোর সাথে সংঘাত অনিবার্য। রাশিয়ার সাথে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে তখন এমন মন্তব্য করলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলদিমের জেলেনস্কি। তিনি জানান, ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যস্থতায় হতে পারে রাশিয়ার সাথে বৈঠক। তবে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পশ্চিমা মিত্ররা পাশে আছে বলেও আত্মবিশ্বাসী তিনি। মঙ্গলবারই (২৫ জানুয়ারি) দেশটিতে পৌঁছেছে মার্কিন সামরিক সহায়তার আরও একটি চালান।

বেলারুশে পাঠানো হয়েছে বেশ কয়েকটি রুশ ফাইটার জেট। পৌঁছে গেছে এস ফোর হান্ড্রেড মিসাইল ব্যবস্থাও। আসন্ন যৌথ মহড়াকে কেন্দ্র করে মস্কো-মিনস্কের প্রস্তুতি যেন যুদ্ধক্ষেত্রের। ফেব্রুয়ারির প্রদর্শনীতে সামরিক সক্ষমতার পুরোটাই যেন দেখাতে চায় রাশিয়া।

সীমান্তে যখন যুদ্ধের দামামা, তখন নিজ দেশের জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলদিমের জেলেনস্কি। টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে আত্মবিশ্বাস নিয়ে তিনি বলেন, পশ্চিমা মিত্ররা জোট হিসেবে পাশে আছে কিয়েভের। ভোলদিমের জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণেই। হ্যাঁ, অস্ত্রবিরতির শর্তভঙ্গ করে গোলাগুলি চালাচ্ছে তারা। সীমান্ত থেকে তাদের সেনাদের সরিয়ে নেয়াও হয়নি। তবে আমাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। মিত্রদের সাথে নিয়ে একটি টিম হিসেবে কাজ করছি আমরা।

আরও পড়ুন: পুতিনকে বাইডেনের হুমকি

মঙ্গলবার মার্কিন সামরিক সহায়তার আরও একটি চালান পৌঁছেছে কিয়েভে। তবে দেশটিতে মার্কিন সেনা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই, আবারও স্পষ্ট করেছে হোয়াইট হাউজ। প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বলেন, স্পষ্ট করতে চাই, ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর কোনো লক্ষ্য, পরিকল্পনা, আকাঙ্ক্ষা প্রেসিডেন্টের নেই। পূর্বাঞ্চলীয় মিত্রদের পাশে দাঁড়াতে ন্যাটো একটি ফোরাম। আর সেখানেই আমাদের ফোকাস। পুতিন বা রুশ নেতৃত্বের মনে কী আছে কেউ জানে না। আমরা কেবল দেখছি লাখখানেক সেনা মোতায়েনসহ নানা প্রস্তুতি। সীমান্তে আগ্রাসী পদক্ষেপ। আমরা কূটনৈতিক পথেই হাঁটছি।

ইউক্রেনে আগ্রাসন চালালে ভালো হবে না তার পরিণতি। বার্লিনে ফ্রান্স-জার্মানি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারি দেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন।

আরও পড়ুন: সন্ত্রাসীর তালিকায় নাভালনি





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply