সিআইপি সম্মাননা পেলেন ১৭৬ জন

|

পণ্য রফতানিতে অবদান রাখায় দেশের ১৩৮ জন ব্যবসায়ীকে ব্যক্তি পর্যায়ে এবং পদাধিকারবলে ট্রেড ক্যাটাগরিতে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের ৩৮ পরিচালককে দেয়া হয়েছে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির (সিআইপি) মর্যাদা। দুই বিভাগেই ২০১৮ সালের জন্য মোট ১৭৬ জনকে সিআইপি সম্মাননা দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নির্বাচিতদের হাতে সিআইপি কার্ড তুলে দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ২০২৪ সাল নাগাদ ৮০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা অর্জনে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা প্রয়োজন। চীন ও ভিয়েতনাম থেকে তৈরি পোশাক খাতের বিনিয়োগগুলো বাংলাদেশে আসতে শুরু করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এই ধারা অব্যাহত থাকলে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে বলে প্রত্যাশার কথাও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তৈরি পোশাক খাতে নিট ও ওভেন মিলিয়ে ৬৪ জন সিআইপি মর্যাদা পেয়েছেন। যা কোনো খাতে সর্বোচ্চ। এরমধ্যে নীটে ৪১ জন এবং ওভেনে ২৩ জন ব্যবসায়ী এই সম্মাননা পান।

এছাড়া কাঁচা পাটে ১ জন, পাটজাত পণ্যে ৩ জন, চামড়াজাত দ্রব্যে ৫ জন, হিমায়িত খাদ্যে ৭ জন, কৃষিজাত দ্রব্যে ৬ জন, এগ্রো প্রসেসিংয়ে ৪ জন, হালকা প্রকৌশলী পণ্যে ২ জন, হস্তশিল্পজাত পণ্যে ৫ জন, ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যে ২ জন, স্পেশালাইজড বা হোম টেক্সটাইল পণ্যে ৩ জন, সিরামিক পণ্যে ২ জন, প্লাস্টিকজাত পণ্যে ২ জন, টেক্সটাইলে (ফেব্রিক্স) ৫ জন, কম্পিউটার সফটওয়্যারে ২ জন, বিবিধ পণ্যে ২৩ জন এবং ইপিজেডভুক্ত সি ক্যাটাগরির পণ্যে ২ জন রফতানির জন্য সিআইপি মর্যাদা পেয়েছেন ।

করোনাভাইরাসের কারণে দুই বছর পর বিবেচিত এসব রফতানি পণ্যের জন্য এ সম্মননা দেয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই সভাপতি জসিমউদদীন বলেন, দেশে ব্যবসা খরচ কমাতে হবে, বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। প্রণোদনার ঋণ পরিশোধের সময় বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply