কারাবন্দিদের করোনা চিকিৎসায় ঘোড়ার কৃমিনাশক, আইনি পদক্ষেপ

|

কাউন্টি ডিটেনশন সেন্টার আরাকানসাস, ওয়াশিংটন।

কারাবন্দিদের করোনা চিকিৎসায় ঘোড়ার কৃমিনাশক ওষুধ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন ওই বন্দিরা। তাদের অভিযোগ, তাদের না জানিয়ে কোভিড চিকিৎসার নামে ঘোড়ার কৃমিনাশক আইভারমেকটিন টিকা দেয়া হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, কোনো বন্দিকে এটি নিতে বাধ্য করা হয়নি। এ ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো বিবৃতি দেয়নি। খবর বিবিসির।

যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাসের একটি কারাগারে ঘোড়ার কৃমিনাশক দিয়ে কোভিডের চিকিৎসা করার ঘটনা ঘটেছে। আরকানসাসের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আইভারমেকটিনের ডোজ মানবদেহে ব্যবহারের অনুমোদন আছে। কিন্তু, কোভিডের ওষধ হিসেবে এটি ব্যবহার করা যাবে না। অন্যদিকে বন্দিদের অভিযোগ, তারা জানতেন না তাদের আসলে কি দেয়া হচ্ছে। এ নিয়ে মামলা করেছেন তারা।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, ওষুধটিতে ভিটামিন, অ্যান্টিবায়োটিক ও স্ট্রয়েডস রয়েছে বলে- করোনা আক্রান্ত বন্দিদের বলা হয়েছিল । ওটা যে আইভারমেকটিন সে ব্যাপারে তাদের জানানো হয়নি। ওষধের প্রতিক্রিয়ায় ডায়রিয়া ও পাকস্থলিজনিত নানা সমস্যায় পড়েছেন ওই টিকা নেয়া বন্দিরা।

মামলার নথিতে আরও বলা হয়েছে,, কারাবন্দিদের প্রতারিত করার অধিকার কারো নেই। স্বাস্থ্য পরীক্ষা সাপেক্ষে চিকিৎসা পাওয়ার পূর্ণ অধিকার তাদের আছে। কারা কর্তৃপক্ষ বন্দিদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং এজন্য অবশ্যই তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন জানিয়েছিল, করোনা প্রতিরোধে কোনোভাবেই যেন আইভারমেকটিন ব্যবহার না করা হয়। এটি মূলত পশুচিকিৎসার ওষুধ।

/এসএইচ





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply