নিউইয়র্কে ভাড়াটিয়া উৎখাত বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ

|

করোনা মহামারির মধ্যে সংকটে পড়া ভাড়াটিয়াদের সহায়তার দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে নিউইয়র্কে। অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ ভাড়াটিয়াদের উৎখাত বন্ধে ২০২০ সালে করা আইনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে শনিবার (১৫ জানুয়ারি)। এতে চাইলেই কোনো বাড়ির মালিক উৎখাত করতে পারবেন তাদের ভাড়াটিয়াকে। ফলে বিপাকে পড়বেন ৫ লাখ মানুষ। বিক্ষোভকারীদের দাবি, নিষেধাজ্ঞার সময় বাড়ানোর পাশাপাশি নিম্নবিত্তদের জন্য বাড়ি ভাড়ার ভর্তুকি নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে।

দাবি একটাই, মাথা গোঁজার সামান্য ঠাঁই যেন না হারায়। তাই নিউইয়র্কের রাজপথে শত শত মানুষ। বিক্ষোভকারীদের উৎখাতে এক পর্যায়ে ধরপাকড় শুরু করে পুলিশ। আটক করা হয় বেশ কয়েকজনকে।

বিক্ষাভকারীরা বলছেন, বাড়তি ভাড়ার লোভে বাড়িওয়ালা চাইলেই আমাকে উৎখাত করতে পারবেন, এটা কেমন কথা? তারা অভিযোগ করেন, মানুষ মারা যাচ্ছে অথচ গভর্নর কোনো উদ্যোগই নিচ্ছে না। যতক্ষণ এই কড়াকড়ি বাতিল না করা হবে ততক্ষণ বিক্ষোভ অব্যহত রাখারও ঘোষণা দেন তারা।

২০২০ সালের মার্চে যখন নিউইয়র্কজুড়ে করোনার ভয়াবহ বিস্তার ঘটে, তখনই এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। এতে বলা হয় ভাড়া বাকি থাকলেও কোনো বাড়িওয়ালা চাইলেও তার ভাড়াটিয়াকে উৎখাত করতে পারবেন না। স্বল্প ও নিম্নবিত্তের মানুষের জন্য বাড়িভাড়ার ভর্তুকি দেয়ার ঘোষণাও দেয় ফেডারেল সরকার। ভুক্তভোগীরা বলছেন এতে করে বিপদে পড়বেন নিউইয়র্কের ৫ লাখ মানুষ।

ভাড়াটিয়া সমিতির এক সদস্য বললেন, এখন যদি এই মানুষগুলোর ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়, অনেকেই গৃহহীন হয়ে পড়বেন। এটা আমরা কোনোভাবেই হতে দেবো না। গভর্নর যদি ভাড়াটিয়াদের রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ না নেন তাহলে বহু মানুষ বিপদে পড়বে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

কর্তৃপক্ষ বলছে, এরই মধ্যে ভাড়া পরিশোধে ব্যর্থ ভাড়াটিয়াদের উৎখাতে আবেদন করেছেন নিউইয়র্কের ৮১ হাজার বাড়িওয়ালা।

/এডব্লিউ


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply