বাংলাদেশে কাওয়ালি চর্চার হালহকিকত

|

সুফি ঘরানার সংগীত কাওয়ালির চর্চা বাংলাদেশে অনেক আগে থেকেই। তবে সারাদেশে তা চর্চা হয় না। দরগাভিত্তিক মাহফিল এবং উর্দুভাষী মানুষদের মধ্যেই কাওয়ালির চর্চা বেশি। ঐতিহাসিকদের মতে, কাওয়ালি এদেশের মূল ঘরানার সংগীত না হলেও দেশীয় সংগীতে এর প্রভাব আছে।

কাওয়ালি শুরু হয় আলাপের ভেতর দিয়ে। গানের কথায় কাওয়াল বা গায়ক সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করেন। প্রথম পর্যায়ে গতি তুলে কাওয়ালরা মূল অংশে প্রবেশ করেন। এরপর লয় ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। বিভিন্ন ধরনের বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার থাকলেও সমবেতভাবে হাততালি দিয়ে তাল রক্ষা করা কাওয়ালির বৈশিষ্ট্য।

সুফি মতবাদ ও দর্শনচর্চা থেকে কাওয়ালির উৎপত্তি। এদেশে এই ভক্তিমূলক গানের প্রচলনও সূফিদের কণ্ঠেই। বহুকাল ধরেই দেশের দরগাগুলোতে এই গানের চর্চা হয়ে আসছে। তবে ইতিহাসবিদ মুনতাসির মামুন বলছেন, এদেশে কাওয়ালির চর্চা থাকেলেও বিস্তৃত পরিসরে চর্চা হয়নি কখনোই।

এদেশীয় শিল্পিদের পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমের কারণে বিভিন্ন দেশের জনপ্রিয় কাওয়ালি শিল্পিদের গানের শ্রোতাও তৈরি হয়েছে বর্তমান সময়ে।

/এডব্লিউ


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply