ফরিদপুর সদরের ১১টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ কাল

|

ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুর সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে কাল বৃহস্পতিবার। সকাল ৮টা থেকে এ ইউনিয়নগুলির ১০২টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হবে। বিরতিহীন ভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হবে।

এ ১১টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩৭, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১১৬ এবং সাধারণ সদস্য পদে ৩৩৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১১টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ২ লাখ ৯০৩ জন।

ভোট গ্রহণ শেষে প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে। এ নির্বাচনে প্রতিটি ইউনিয়নে একজন চেয়ারম্যান, তিন জন সংরক্ষিত মহিলা এবং নয়জন সাধারণ সদস্য নির্বাচিত হবেন।

গেরদা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে দুইজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন আওয়ামী লীগের মো. জাহিদুর রহমান (নৌকা) ও বিএনপির শাহ্ রেজাউল করিম (ধানের শীষ)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৮ হাজার ৪২। এর মধ্যে পুরুষ ৮ হাজার ৯৭৩ এবং নারী ৯ হাজার ৬৯জন।

মাচ্চরে চেয়ারম্যান পদে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন আওয়ামী লীগের এসএম সরোয়ার হোসেন (নৌকা), বিএনপির মো. রাজিব সরদার (ধানের শীষ), আ.লীগের বিদ্রোহী মো. জাহিদ মুন্সী (আনারস), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পান্নু শেখ (হাত পাখা) এবং স্বতন্ত্র এসএম মামুনুর রশিদ (অটোরিক্সা)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২১ হাজার ৪৪০। এর মধ্যে পুরুষ ১০ হাজার ৭৮৫ এবং নারী ১০হাজার ৬৫৫জন।

চরমাধবদিয়ায় চেয়ারম্যান পদে মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন আ.লীগের মোহাম্মদ তুহিনুর রহমান (নৌকা), বিএনপির মো. মির্জা সাইফুল ইসলাম আজম (ধানের শীষ) এবং স্বতন্ত্র পার্থী মো. হাফিজুর রহমান (মটর সাইকেল) ও মো. আবুল বাসার মিয়া (আনারস)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৯ হাজার ২৭৮। এর মধ্যে পুরুষ ১০ হাজার ৪০ এবং নারী ৯ হাজার ২৩৮ জন।

আলীয়াবাদে চেয়ারম্যান পদে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, আ.লীগের মো. ওমর ফারুক (নৌকা), বিএনপির মো. সামসুল আলম (ধানের শীষ) এবং আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. আকতারুজ্জামান (আনারস)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১১ হাজার ৭০৮জন। পুরুষ ৫ হাজার ৯৭২ এবং নারী ৫ হাজার ৭৩৬।

অম্বিকাপুরে মোট চারজন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, আ.লীগের আবু সাইদ চৌধুরী (নৌকা), বিএনপির জয়নাল আবেদীন চৌধুরী (ধানের শীষ) এবং স্বতন্ত্র মশিউর রহমান (আনারস) ও মুহাম্মাদ জাহিদুল ইসলাম (মটর সাইকেল)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৩ হাজার ৯১৬। পুরুষ ৭ হাজার ১২৮ এবং নারী ৬ হাজার ৭৮৮।

কানাইপুরে চেয়ারম্যান পদে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, আ.লীগের ফকির মো. বেলায়েত হোসেন (নৌকা), বিএনপির শাহ মোহাম্মদ আলতাফ হুসাইন (ধানের শীষ) এবং স্বতন্ত্র মো. আহিদ মোল্লা (আনারস)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২৯ হাজার ৬৬১। পুরুষ ১৫ হাজার ২৬ এবং নারী ১৪ হাজার ৬৩৫।

ঈশান গোপালপুরে চেয়ারম্যান পদে তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আ.লীগের মো. সহীদুল ইসলাম (নৌকা), বিএনপির নূরুজ্জামান চৌধুরী (ধানের শীষ) এবং ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মো. মোস্তফা কামাল (হাত পাখা)। মোট ভোটার ১৭ হাজার ৭৯৫ পুরুষ ৯ হাজার ১৪৯ ও নারী ৮ হাজার ৬৪৬।

কৈজুরিতে চেয়ারম্যান পদে দুইজন প্রার্থী, আ.লীগের খন্দকার ইফতেখার মোহাম্মদ (নৌকা) ও বিএনপির মো. নাজিম উদ্দিন শেখ (ধানের শীষ)। মোট ভোটার ১৯ হাজার ৪০৫। পুরুষ ৯ হাজার ৮৭৪ নারী ৯ হাজার ৫৩১।

কৃষ্ণনগরে চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন। আ.লীগের এ কে এম বাদশা মিয়া (নৌকা), বিএনপির মো. গোলাম মোস্তফা (ধানের শীষ), আ.লীগের বিদ্রোহী মোহাম্মদ কামাল হোসেন (আনারস) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয় কুমার বিশ্বাস (টেলিফোন) ও ইব্রাহিম আলী (মটর সাইকেল)। মোট ভোটার ২০ হাজার ৮৬৩, পুরষ ১০ হাজার ৫৮৭ ও নারী ১০ হাজার ২৭৬।

নর্থ চ্যানেলে চেয়ারম্যান পদে দুই প্রার্থী আ.লীগের মো. মোফাজ্জেল হোসেন (নৌকা) ও বিএনপির মো. মোস্তাকুজ্জামান (ধানের শীষ)। মোট ভোটার ১৫ হাজার ৩৮৪, পুরুষ ৮ হাজার ২৫ ও নারী ৭ হাজার ৩৫৯।

ডিক্রিরচরে মোট প্রার্থী চারজন। আ.লীগের মোহাম্মদ সাদিকুজ্জামান (নৌকা), বিএনপির মো. মোশাররফ হোসেন (ধানের শীষ), আ.লীগের বিদ্রোহী মেহেদী হাসান (মটরসাইকেল) ও স্বতন্ত্র এ কে এম শামছুল হক (আনারস)। মোট ভোটার ১৩ হাজার ৪১১, পুরুষ ৬ হাজার ৬৯৭ এবং নারী ৬ হাজার ৭১৪।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, এ ১১টি ইউনিয়নে ১০২টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬৮টি ঝুকিপূণ । তিনি বলেন, নির্বাচনের দিনে প্রতি সাধারণ কেন্দ্রে ২০জন ও ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২৫ জন আনসার ও পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া প্রতি ইউনিয়নে এক প্লাটুন বিজিবি এবং দুই প্লাটুন র‌্যাব টহল দেবে। এছাড়া পুলিশের ৫২টি মোবাইল টিম কর্মরত থাকবে। ১১টি ইউনিয়নে পাঁচটি ভ্রাম্যমাণ আদালতসহ ২১জন নির্বাহী হাকিম এবং তিনজন বিচারিক হাকিম কর্মরত থাকবেন।

এ নির্বাচনে ১০২জন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, ৫১৪জন সহকারি প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও এক হাজার ২৮জন পোলিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন।









Leave a reply