ওমিক্রনের সংক্রমণ রোধে ‘আক্রমণাত্মক নিষেধাজ্ঞা’ আরোপের বিরোধী ডব্লিউএইচও

|

ছবি: সংগৃহীত।

করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রনের সংক্রমণ ঠেকাতে এরই মধ্যে আফ্রিকার একাধিক দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিভিন্ন দেশ। আফ্রিকা ছাড়াও বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকাও তৈরি শুরু হয়েছে দেশে দেশে। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলোর নিয়ম নীতিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। তবে এসব পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক সংহতির ওপর আঘাতস্বরূপ। খবর রয়টার্সের।

দেশে দেশে ফের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিরোধিতা করে রোববার (২৯ নভেম্বর) একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সেখানে ওমিক্রনকে ‘উদ্বেগজনক’ আখ্যা দিয়ে বলা হয়েছে, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা করোনা সংক্রমণকে খুব বেশি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। বরং এর ফলে বিশ্বে জীবন জীবিকার প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে পড়ে। তাই ওমিক্রন ঠেকাতে দেশে দেশে এমন আক্রমণাত্মকভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করা উচিত নয়। এর বদলে বিজ্ঞানসম্মত স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

আরও পড়ুন: ওমিক্রন: বাংলাদেশকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে ভারত

নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এভাবে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি নিয়ে চরম অসন্তুষ্ট আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ। অনেকের মতে, নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে সতর্ক করায় এখন এক রকম শাস্তি দেয়া হচ্ছে আফ্রিকানদের।

বিষয়টি নিয়ে ডব্লিউএইচও’র আঞ্চলিক মহাপরিচালক মাতশিদিসো মোয়েতি বলেন, ওমিক্রন ধরা পড়ার পর আফ্রিকার বিরুদ্ধে একের পর এক দেশ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করছে। এটি স্পষ্টতই আন্তর্জাতিক সংহতির ওপর আঘাত।

আরও পড়ুন: ‘ওমিক্রনের উপসর্গ মৃদু ও অস্বাভাবিক; বেশি আক্রান্ত কমবয়সী পুরুষ’

উল্লেখ্য, এরই মধ্যে বিশ্বের ১৩টি দেশে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে। এরই মধ্যে ভ্রমণ বিধিনিষেধ কঠোর করতে শুরু করেছে বিভিন্ন দেশ। এই ধরন প্রথম শনাক্ত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার একটি দেশে। এরপর থেকেই একের পর এক দেশ আফ্রিকার ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে। আর এ বিষয়টিরই পক্ষপাতী নয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply