গাইবান্ধার ১৯ ইউপিতে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন, চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ আটক ৩

|

ছবি: সংগৃহীত

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

কেন্দ্রে হামলা, ব্যালট পেপার ছিনতাই ও জালভোট দেয়ার অভিযোগে আটক ও কারাদণ্ডসহ বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে গাইবান্ধার দুই উপজেলার ১৯টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে ১৮টি ইউনিয়নের ১৭৪টি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ও একটি ইউনিয়নের ১২টি কেন্দ্রে ইভিএম মেশিনের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনায় জেলার সুন্দরগঞ্জের শ্রীপুর ইউনিয়নের বৌলজান কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে। ভোটগ্রহণ চলাকালে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বৌলজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্র দখল ও ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এ সময় ১২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হামলায় পুলিশের দুই সদস্যসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর কেন্দ্রটির ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী মোঃ মহাসিন আলীর সমর্থকরা কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ব্যালট পেপার ছিনতাই করে বলে অভিযোগ স্থানীয়সহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের দায়িত্বরত প্রিজাইডিং কর্মকর্তার।

এছাড়া, পলাশবাড়ির হরিনাথপুর ইউনিয়নের ২নং হরিনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ঢুকে ব্যালট পেপারে সিল মারার অভিযোগ পাওয়া গেছে নৌকা প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ৪০ মিনিট ভোটগ্রহণ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। এছাড়া হোসেনপুর ইউনিয়নে দায়িত্বরত পুলিশকে লাঞ্চিতের অভিযোগে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফ মন্ডলকে আটক করেছে পুলিশ।

অন্যদিকে, জালভোট দেয়ার অভিযোগে সুন্দরগঞ্জের সোনারায় ইউনিয়নের পশ্চিম সোনারায় ভোটকেন্দ্রে ও পলাশবাড়ীর হোসেনপুর ইউনিয়নের শিশুদহ সরকারি প্রাথমিক কেন্দ্র থেকে দুইজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয়রা।

এছাড়া, পলাশবাড়ির মনোহরপুর ইউনিয়নের বিরামেরভিটা ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার নিয়ে পালানোর সময় আটক দুই ব্যক্তিকে ১ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুল মোত্তালিব জানান, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে দুই উপজেলার ১৯টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। তবে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনায় বৌলজান কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে।


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply