হেলে পড়া ভবন দুটিতে বাসিন্দারা আছেন আগের মতোই

|

চট্টগ্রামে ভূমিকম্পে হেলে পড়া দুটি ভবনের ব্যাপারে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। সংস্থাটি বলছে, সাত দিনের মধ্যে ভবন দুটির ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন জমা দিতে হবে ভবন মালিকদের। আর সে ভিত্তিতেই ঠিক করা হবে পরবর্তী করণীয়। তবে মালিকদের দাবি, ভবন দুটি ভূমিকম্পের কারণে হেলে পড়েনি।

বৃহস্পতিবারের ৬.৮ মাত্রার ভূমিকম্পের পর পাশের ভবনের ওপর হেলে পড়েছে ভবনটি। নগরীর কাপাসগোলা এলাকার এ ভবনটির মতো আরেকটি ভবন হেলে পড়েছে খাজা রোডের সাবান ঘাটা এলাকায়।

দুটি ভবন হেলে পড়ায় আতঙ্ক বিরাজ করছে ভবন দুটির বাসিন্দা ও এলাকাবাসীর মাঝে। যদিও হেলে পড়া ভবন দুটিতে বসবাসরতরা সরে যাননি কেউই। ভবন মালিকদের দাবি ভবনগুলো আগে থেকেই এভাবেই ছিল।

হেলে পড়ার অভিযোগ পেয়ে ভবন দুটি পরিদর্শন করেছে ফায়ার সার্ভিস ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সিডিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কাজী হাসান বিন শামস জানান, ভবন দুটি কতটা ঝুঁকিপূর্ণ তা নির্ণয় শেষে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বন্দর নগরীতে পুরানো ভবনের তালিকা রয়েছে সিডিএ ও সিটি কর্পোরেশনের কাছে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর নতুন তালিকা তৈরীর কথা থাকলেও সেটি করা হচ্ছে না নিয়মিত।


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply