করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট কতটা ভয়ঙ্কর?

|

কিছুদিন বিরতির পর শক্তি সঞ্চয় করে নতুন রূপে হাজির হয়েছে কোভিড নাইনটিন। এবার আফ্রিকায় পাওয়া নতুন ভ্যারিয়েন্ট আতঙ্ক ছড়াচ্ছে বিশ্বজুড়ে। কয়েক হাজার বার রূপ পরিবর্তন করা ভাইরাসের নতুন এই ধরনকে অস্বাভাবিক ও ভয়ঙ্কর বলছেন বিজ্ঞানীরা। ব্রাজিলে শনাক্ত হওয়া গামা ভ্যারিয়েন্টের ১০ মাস পর নতুন এই ধরনটিকে উদ্বেগজনক বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। বর্তমানে পর্যবেক্ষণে আছে আরও ৭টি ভ্যারিয়েন্ট।

ইউরোপ-আমেরিকা ছাড়া বেশিরভাগ দেশেই অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসছিল করোনা পরিস্থিতি। হঠাৎই গোটা বিশ্বের মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে উঠেছে নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন।

মহামারির প্রায় দুই বছরের মধ্যে কোভিড নাইনটিনের হাজার হাজার ধরন শনাক্ত হয়েছে। কিন্তু সবগুলোকে উদ্বেগজনক বলছে না বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এখন পর্যন্ত ডেল্টাসহ ভয়ঙ্কর ১৩টি ভ্যারিয়েন্টের মধ্যে বর্তমানে উদ্বেগ ছড়াচ্ছে ৫টি। যার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বলা হচ্ছে ওমিক্রনকে। যা এ পর্যন্ত ৫০ বার রূপ বদল করেছে, আর স্পাইক প্রোটিন বদলেছে ৩০ বার।

করোনার আরও বেশকিছু নতুন ধরন ভয়াবহতা ছড়াতে পারে। এমন শঙ্কায় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে ৭টি ভ্যারিয়েন্টকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, নতুন একটি ধরন আসলে আগেরটা দুর্বল হয়ে যায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করোনা বিষয়ক কারিগরি কমিটির প্রধান মারিয়া ভন কারখোভ বলেন, গোটা বিশ্ব বেশ ভালো অবস্থানের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু নতুন ভ্যারিয়েন্ট আবারও চিন্তায় ফেলে দিয়েছে সবাইকে। এখন এই ধরন সম্পর্কে বিস্তর গবেষণা প্রয়োজন। ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমেই জানা যাবে সবকিছু। এছাড়া চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং ভ্যাকসিন নেয়ার পরও মানবশরীরে এটি কী ধরনের প্রভাব ফেলছে তাও জানা যাবে দ্রুত।

করোনার নতুন এই ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে শুরু হয়েছে গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ। কোভিডের ভয়ঙ্কর এই ধরন থেকে বাঁচতে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে সচেতনতার ওপর।


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply