দরিদ্রদের আইনি সাহায্য করছে যারা

|

পারিবারিক সমস্যা থেকে শুরু করে ছোটখাট দাঙ্গাফ্যাসাদ লেগেই থাকে দুর্গম অঞ্চলগুলোতে। আর মানবাধিকার তো এখনও বহুজায়গায় উপেক্ষিত। কিন্তু এসবের সমাধানে আইন আদালতের দারস্থ হবার সামর্থ্যই বা আছে কয় জনের! দীর্ঘ মামলা জটিলতায় নিঃস্ব থেকে নিঃস্ব হবার ঝুঁকি হতদরিদ্রের।

কিন্তু সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে এখন বিচার ও মানবাধিকার নিশ্চিতে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিনা খরচে আইনগত সহায়তাও মিলছে উত্তরের চরাঞ্চলের মানুষের।

রহিমা বেগম। বাবার সম্পত্তি নিয়ে জটিলতায় কুড়িগ্রামের আদালতে ঘুরছেন ১১ বছর ধরে। তারিখের পর তারিখ যায়, কিন্তু মামলার রায় হয় না।

কোহিনূর আক্তার। অল্প বয়সে বিয়ে, সন্তানের জন্ম, স্বামীর নির্যাতন। যেন কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলের নারীদের প্রতিকী প্রতিচ্ছবি। অতঃপর তালাক আর দেনমোহরের জটিলতায় সামাজিক বিচার শেষে আদালতের দ্বারে তিনিও। বিচার চাইতে গিয়ে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার যাঁতাকলে দরিদ্র রহিমা ও কোহিনূর যেন আরও দরিদ্র হচ্ছেন।

ফ্রেন্ডশিপের সহকারী পরিচালক আহমেদ তৌফিকুর রহমান জানালেন, অসহায় এসব মানুষকে আইনি সহায়তায় এগিয়ে এসেছে একটি বেরসকারি সংস্থা। বিনা খরচে আইনজীবী ও সালিশকারী এবং বিনামূল্যে মামলার কাগজপত্র, সবকিছুই করে দিচ্ছে লিগ্যাল এইড।

গত ৩ বছরে কুড়িগ্রামে এডিআরের মাধ্যমে মীমাংসা হয়েছে ১৬টি আর লিগ্যাল এইড ব্যবস্থাপনায় মামলা হয়ছে ৩৬টি। শুধু আদালত প্রাঙ্গনের এই সেবাই নয়, দুর্গম আর প্রান্তিক চরগুলোতে বেসরকারি সংস্থা বসিয়েছে লিগ্যালবুথও।

আইনি সহায়তার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় সংস্থাটি সচেতন করছে সাধারণ মানুষকে।


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply