নোয়াখালীর ভাসানচরে পৌঁছালো আরও ৩৭৯ রোহিঙ্গা

|

চট্টগ্রাম থেকে ২টি জাহাজে করে ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হয় অভিবাসন প্রত্যাশীদের।

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর হাতিয়ায় সপ্তম দফায় ভাসানচরে পৌঁছালো আরও ৩৭৯ জন রোহিঙ্গা। এর আগে গত ৬টি ধাপে ১৮ হাজার ৩৪৭ জন রোহিঙ্গাকে অস্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য ভাসানচরে আনা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় ভাসানচরে এসে পৌঁছায় রোহিঙ্গাদের এ দল। এর আগে সকালে চট্টগ্রাম থেকে ২টি জাহাজে ভাসানচরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তারা। নতুন করে আসা ৩৭৯ রোহিঙ্গার মধ্যে ১৩২ জন পুরুষ, ৯৮ জন নারী ও ১৪৯ শিশু রয়েছে।

ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, নিয়মানুযায়ী বৃহস্পতিবার আসা রোহিঙ্গাদের প্রথমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপর নিয়ে যাওয়া হয় রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি আশ্রায়ন প্রকল্পের ওয়্যার হাউজে। সেখানে তাদের ভাসানচরে বসবাসের বিভিন্ন নিয়মকানুন সম্পর্কে ধারণা দেন নৌ-বাহিনীর সদস্যরা।

এর আগে গত বুধবার ভাসনচরের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের চট্টগ্রাম নৌ-বাহিনীর তত্ত্বাবধানে রাখা হয়। রাতে তারা চট্টগ্রামের বি এন শাহীন কলেজের ট্রানজিট ক্যাম্পে অবস্থান করে।

তথ্যমতে, স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক এরকম রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর করা হচ্ছে। এই ধাপে মোট দুই হাজার রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তরের কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৪ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রথম দফায় ১৬৪২ জন, ২৯ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় ১৮০৪ জন, চলতি বছরের ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি তৃতীয় দফার ৩২৪২ জন, ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি চতুর্থ দফায় ৩০১৮ জন পঞ্চম দফায় ৩ ও ৪ মার্চ ৪০২১ জন এবং ষষ্ঠ দফায় ১ ও ২ এপ্রিল ৪৩৭২ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচর স্থানান্তর করা হয়।

গত বছরের মে মাসে সাগর পথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টাকালে ৩০৬ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করে সেখানে নিয়ে রাখা হয়। এ নিয়ে মোট ১৮ হাজার ৭২৬ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে।


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply