টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের সমস্যা কোথায়?

|

ছবি: সংগৃহীত

মারদাঙ্গা ক্রিকেট টি-টোয়েন্টির সাথে কিছুতেই মানিয়ে নিতে পারছে না বাংলাদেশ। টানা ৮ টি-টোয়েন্টি হেরে এখন বিধ্বস্ত এক দল যেন বাংলাদেশ। ব্যাটিং কিংবা বোলিং কোনো ডিপার্টমেন্টেই এই ফরম্যাটে নিজেদের মেলে ধরতে পারছে না টাইগার ক্রিকেটাররা। কিন্তু কেন এমন দশা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দলের। সমস্যা কোথায় জানতে চাওয়া হয় দেশের সবচেয়ে দামি কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ও সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলটের কাছে।

খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য ঘরোয়া ক্রিকেট অবকাঠামোর উন্নয়ন সবার আগে জরুরী। যত প্রতিভাবান খেলোয়াড়ই আনা হোক না কেন, ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে প্রমাণ করে নিয়ে না আসলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টেকা খুব কঠিন।

দেশের অন্যতম সেরা কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেন, খেলোয়াড়দের পারফরমেন্সের উন্নতির জন্য ভাল একজন কম্পিউটার অ্যানালিস্ট দরকার। কিন্তু দলে কোনো কম্পিউটার অ্যানালিস্ট নাই। সেই সাথে ভালো কোচ, ভালো আম্পায়ার ও ভালো উইকেটও লাগবে। এত বছর ধরে ক্রিকেট খেলছি আমরা, কিন্তু আমাদের ভাল কোনো পেস ফাউন্ডেশন ল্যাব নাই। ইংল্যান্ডর ক্রিকেটাররা জোরে মারতে পারে কারণ তারা সেই ল্যাব সুবিধা পায়।

কোচ সালাউদ্দিনের বলা সেই ক্রিকেট ল্যাবে নিবিড়ভাবে কাজ হয় অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও ভারতের মতো দেশগুলোতে। ক্রিকেটারদের ব্যাটিং স্ট্যান্ড, কিংবা বোলারের অ্যাকশন কোথায় শোধরালে বাড়বে বলের গতি আর পাওয়ার হিটিং, বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করা হয় এই ল্যাবগুলোতে। যার ফল হাতে-নাতে পায় ক্রিকেটাররা।

অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল পারফরম্যান্স কোচ টরি কুলি বলেন, আমারা এখানে অত্যাধুনিক ক্যামেরার সাহায্যে ক্রিকেটারদের পরীক্ষা করি। তারপর উন্নতির জন্য কি শোধরাতে হতে তা নির্ধারণ করে তাকে সেভাবে প্রস্তুত করি। আমার কাজ ক্রিকেটারদের কাছ থেকে শতভাগ নিঙড়ে বের করা।

ঠিক একইভাবে টি-টোয়েন্টির জন্য প্রস্তুত করা সম্ভব বাংলাদেশের ক্রিকেটারদেরও। টেকনিকে উন্নতি করলে চার-ছক্কার ফুলঝুরি আর গতির ঝড় উঠাতে পারবে টাইগাররাও।


সম্পর্কিত আরও পড়ুন




Leave a reply