সাংবিধানিকভাবে ‘লিভ ইন’ সম্পর্ককে অনুমোদন দেয়ার পক্ষে ভারতের হাইকোর্ট

|

প্রতীকী ছবি। ছবি: সংগৃহীত।

লিভ-ইন সম্পর্কগুলো জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে এবং সামাজিক নৈতিকতার ধারণার পরিবর্তে ভারতীয় সংবিধানের ২১ নম্বর ধারা অনুযায়ী এটিকে ব্যক্তিগত স্বাধীনতার প্রেক্ষিতে দেখা দরকার। একটি মামলার প্রেক্ষিতে এমনই মত দিলো ভারতের এলাহাবাদ হাইকোর্ট।

এর আগে, আন্তঃধর্মীয় লিভ-ইন করা দেশটির দুজন পৃথক দম্পতির করা দুটি পিটিশন দাখিল করেন। সেখানে অভিযোগ করা হয়, লিভ ইন করায় নারী সঙ্গীর পরিবার তাদের দৈনন্দিন জীবনে হস্তক্ষেপ করছে। দম্পতির দায়ের করা সেই পিটিশনের প্রেক্ষিতে চলা শুনানির সময় বিচারপতি প্রীতঙ্কর দিবাকার এবং আশুতোষ শ্রীবাস্তবের একটি বেঞ্চ এই পর্যবেক্ষণ দেন, লিভ-ইন সম্পর্কগুলি জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।

অভিযোগকারী দুই দম্পতির প্রত্যেকে প্রাপ্তবয়স্ক। তবুও লিভ-ইন সম্পর্কে থাকায় তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে চাপ আসার অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হন তারা, দায়ের করেন পিটিশন। এই পিটিশনের শুনানি চলাকালে এলাহবাদ হাইকোর্ট, লিভ-ইন সম্পর্ককে কালের বিবর্তনে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন। শুধু সামাজিক নৈতিকতা নয়, আইনের চোখে লিভ-ইন সম্পর্ককে এখন ব্যক্তি স্বাধীনতা আওতায় দেখা উচিত বলে জানান দেশটির আদালত।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply