এলসি খোলার পরিমাণ বেড়েছে ৪৭ শতাংশ

|

দেশে রফতানির পাশাপাশি বাড়ছে আমদানিও। গেল ৩ মাসে পণ্য আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খোলার পরিমাণ বেড়েছে ৪৭ শতাংশের বেশি। করোনা পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসায় বেসরকারি খাত ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। যে কারণে মূলধনী যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানির পরিমাণ বাড়ছে। এই প্রবণতা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বলে মনে করেন ব্যবসায়ী ও ব্যাংকাররা।

করোনার প্রকোপ কমে যাওয়ায় অনেকটাই ঘুরে দাঁড়িয়েছে বেসরকারি খাত। বিশ্ববাজারেও বেড়েছে তৈরি পোশাকের চাহিদা। স্বাভাবিক সময়ের চেয়েও রফতানি আদেশ বেড়েছে অন্তত ২৫ শতাংশের বেশি। এ জন্য পোশাকের কাঁচামাল এবং মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানির জন্য ঋণপত্রের পরিমাণ বেড়েছে। ব্যসায়ীরা বলছেন, গেল ২ বছরে ব্যবসা-বাণিজ্যের যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে নেয়ার সুযোগ এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই পণ্য আমদানির প্রবণতা বাড়েছে। ৩ মাসে ঋণপত্র খোলা হয়েছে ২ হাজার কোটি ডলারের ওপরে। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৭ শতাংশ বেশি। এটাকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত বলেও মনে করেন ব্যাংকটির নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম।

পণ্য আমদানি বৃদ্ধির সাথে বিশ্ববাজারে দামও বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। যে কারণে পণ্য আমদানিতে আগের চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় হচ্ছে।


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply