শিরোপা-বন্ধ্যাত্ব ঘোচাতে পারবে টাইগাররা?

|

সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট যে এগিয়েছে তাতে কোনো সংশয় নেই। তবে, এখন পর্যন্ত বড় কোনো টুর্নামেন্টের শিরোপা আসেনি টাইগারদের থাবায়। শিরোপা যেন এক সোনার হরিণ।  চারটি ফাইনাল খেলে চারটিতেই হেরেছে টাইগাররা। এরমধ্যে তিনটি ওয়ানডে টুর্নামেন্টে, একটি টি-২০ টুর্নামেন্টে। সবগুলোই ম্যাচই হয়েছে মিরপুরে। এই প্রথম মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের বাইরে কোনো ফাইনালে খেলবে বাংলাদেশ। পঞ্চমবারে এসে সাকিব-মুশফিকদের ভাগ্যের শিকে ছেঁড়ে কিনা এটাই এখন দেখার বিষয়।

২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে উঠে বাংলাদেশ। টাইগারদের দেয়া লক্ষ্যটা খুব একটা বড় ছিল না- ১৫২ রান। কিন্তু সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেই ৬ রানেই  ৫ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। সেখান থেকেই ম্যাচ বের করে নেয় লঙ্কানরা। রুবেল হোসেনের করা ৪৬-তম ওভারে তিন চার ও এক ছক্কায় ২০ রান করে মুরালিধরন ২ উইকেটে জেতান শ্রীলঙ্কাকে। শিরোপা জেতা হয়নি আশরাফুলের বাংলাদেশের।

২০১২ সালের এশিয়া কাপে মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বে দুর্দান্ত খেলা বাংলাদেশ ফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২ রানে হারে। হৃদয়ভাঙা সেই হারে অশ্রুসিক্ত হন সাকিব-মুশফিকরা, অশ্রুসিক্ত হয় মিরপুরের গ্যালারি, সঙ্গে পুরো বাংলাদেশ।

২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের কাছে একতরফাভাবে ৮ উইকেটে হারে বাংলাদেশ। মাশরাফির নেতৃত্বে বৃষ্টি-বিঘ্নিত ম্যাচ নেমে আসে ১৫ ওভারে। ১২০ রানের বেশি করতে পারেনি টাইগাররা, যা আয়েশেই পার হয়ে যায় ভারত।

গত মাসেই ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে মাশরাফির নেতৃত্বে ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৭৯ রানে হারে টাইগাররা। মিরপুরে মূলত সাকিবের ইনজুরির কারণে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে টাইগাররা।

আর্ন্তজাতিক টি-টুয়েন্টিতে ভারতের বিপক্ষে ৭ বারের মোকাবেলায় নেই কোনো জয়! সেটি যে অসম্ভব নয়, সেরকম ক্রিকেটই তো খেলছেন মুশফিক-মাহমুদুল্লাহরা! এবার কি বদল ঘটবে দৃশ্যপটের? মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটের ট্রফি গ্যালারি কি শোভা পাবে ‘নিদাহাস ট্রফি’? সেটি জানার জন্য রোববার রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।

যমুনা অনলাইন: টিএফ









Leave a reply