খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা জানালেন ডাক্তার

|

বেগম খালেদা জিয়া। সংগৃহীত ছবি।

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে সার্জিক্যাল আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। সকালে খালেদা জিয়ার ব্যাক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন এই খবর জানিয়েছেন।

তিনি জানান, সকালে বেগম খালেদা জিয়াকে তরল খাবার দেয়া হয়েছে। তিনি ভালো আছেন। এই মুহূর্তে তিনি সুস্থ অনুভব করছেন বলেও জানান খালেদা জিয়ার ব্যাক্তিগত চিকিৎসক।

গতকাল খালেদা জিয়ার শরীরে একটি লাম্প থেকে বায়োপসি করা হয়। এরপর তাকে সার্জিক্যাল আইসিইউতে রাখা হয়। বায়োপসি সম্পন্ন হওয়ার পর দলের পক্ষ থেকে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে তার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা গণমাধ্যমকে জানানো হয়।

ওই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া একদম সুস্থ আছেন। কিছুক্ষণ আগে তার সঙ্গে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব কথা বলেছেন, তার ভাই শামীম এস্কান্দার কথা বলেছেন। এছাড়া খালেদার এখর আর কোনো বিপদের সম্ভাবনা নেই বলেও জানান মির্জা ফখরুল।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত ডাক্তার অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান, বায়োপসির প্রতিবেদন আসতে ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় অপেক্ষা করতে হবে। উনার শরীরের এক জায়গা ছোট একটা লাম্প আছে। এই লাম্পের ন্যাচার অব অরিজিন জানতে হলে বায়োপসি করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, লাম্প মানে ছোট চাকা। খালেদা জিয়ার শরীরে শনাক্ত হওয়া ওই চাকাটি মোটামুটি ১.২ সেন্টিমিটার আকারের বলেও জানান ডা. জাহিদ।

খালেদা জিয়ার পাশে তার প্রয়াত পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান সিঁথি আছেন। গত রোববার খালেদার অসুস্থতার খবর শুনে লন্ডন থেকে দেশে আসেন তিনি।

টানা কয়েকদিন জ্বর অনুভব করার খালেদা জিয়াকে গত ১২ অক্টোবর বসুন্ধরার এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধায়নে একটি মেডিকেল বোর্ডের অধীনে চিকিতসাধীন আছেন।

প্রসঙ্গত, ৭৬ বছর বয়েসী খালেদা জিয়া বহু বছর ধরৈই আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস ও চোখের সমস্যায় ভুগছেন।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply