মানব পাচার আইনে জনশক্তি রফতানিকারকদের হয়রানির অভিযোগ

|

মানবপাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা করে জনশক্তি রফতানিকারকদের হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ করেছে রিক্রুটিং এজেন্সি ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের নেতারাও। ডয়চে ভেলের ছবি।

বৈধভাবে কর্মী পাঠানোর পরও মানব পাচার আইনে হয়রানি করা হচ্ছে। এমন অভিযোগ জনশক্তি রফতানিকারকদের। এ কারণে বিদেশে কর্মী প্রেরণে আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকে। যার প্রভাব পুরো অভিবাসন খাতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের। সব নিয়ম মেনে কর্মী পাঠানোর পরও রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে মামলার বিষয়ে বিএমইটির মতামত নেয়া হবে বলে জানিয়েছে অভিবাসন বিষয়ক সংসদীয় ককাস।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এক কোটির বেশি বাংলাদেশি কর্মরত। এ খাত থেকে বছরে আয় ১৫ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার। করোনায় বিদেশে কর্মী প্রেরণ কিছুটা কমলেও এটি আবার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতেই মানব পাচার আইনের অপপ্রয়োগ নিয়ে দেখা দিয়েছে বিতর্ক। জনশক্তি রফতানিকারকদের অভিযোগ বৈধভাবে কর্মী পাঠানোর পরও এ আইনে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে রাজপথে কর্মসূচিও পালন করেছেন তারা। এর সমাধান না হলে অভিবাসন খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন শ্রম অভিবাসন বিশ্লেষক হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে মানব পাচার আইনের ব্যবহার নিয় সম্প্রতি আলোচনা হয়েছে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলেও বিএমইটির মতামত নিয়েই আইনি উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন অভিবাসন সংসদীয় কমিটি ককাসের সভাপতি ব্যরিস্টার শামীম আহমেদ পাটোয়ারি। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আস্থা ফিরবে বলেও মনে করেন তিনি।

অভিবাসী কর্মীদের অধিকার রক্ষায় নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকেও আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে সরকারকেই এটি নিশ্চিত করতে হবে, এমনটি মনে করেন হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply